বিদ্যুতের আওতায় আসবে নতুন ১৫ লাখ গ্রাহক

biddut
সমাজের কথা ডেস্ক॥ সারা দেশে নতুন ১৫ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনবে সরকার। ৪৪ হাজার কিলোমিটার সরবরাহ লাইন নির্মাণ করে এ বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনা হবে।
‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ’ শীর্ষক এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা।

প্রকল্পটি মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, সভায় মোট ১৬ হাজার ৮৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকার ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকা, ৫৯৬ কোটি টাকা প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার নিজস্ব তহবিল এবং দুই হাজার ২৫০ কোটি টাকা প্রকল্প সহায়তা থেকে যোগান দেওয়া হবে।

১৫ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্প সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট ৮২ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় আসবে। ২০১৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষে তা পূরণে অনেকটাই এগিয়ে যাবে সরকার “

সরকার প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই বাস্তবায়ন করবে বলে জানান তিনি।

প্রকল্পের আওতায় ৪৪ হাজার কিলোমিটার সরবরাহ লাইন ছাড়াও ৮৩টি নতুন উপকেন্দ্র স্থাপন ও ৩৫টি উপকেন্দ্র আপগ্রেড করা হবে।

মন্ত্রী জানান, বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে- ‘ঘোড়াশাল ৪র্থ ইউনিট রি-পাওয়ারিং প্রকল্প’, যার ব্যয় দুই হাজার ২৯ কোটি টাকা।

৭৪৬ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণ ও সুরক্ষা এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি’ প্রকল্প।

‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদন পদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ প্রকল্প’, যার ব্যয় প্রায় ৬৬৭ কোটি টাকা।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ‘১২০০ মেগাওয়াটের আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণ ও সুরক্ষা এবং ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রকল্প’। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা।

প্রায় ১৮৬ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘খুলনা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প’।

জাতীয় বেতার ভবনে আধুনিক ও ডিজিটাল সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ৪৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

৩৮৪ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘বাংলাদেশ গ্রামীণ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন’ প্রকল্প।

শেয়ার