বঙ্গোপসাগরের জেগে ওঠা বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ডে কোস্টগার্ডের বেইজের সার্ভে শুরু

iceland
কামরুজ্জামান,বাগেরহাট থেকে॥ বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ থেকে আলাদা ভূ-খন্ড বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা ‘বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড’ নামে পরিচিত দ্বীপটিতে জলসীমায় চোরাচালানরোধ, মংলা বন্দরগামী দেশী-বিদেশী জাহাজ ও ফিশিংবোটে মাছধরা জেলেদের নিরাপত্তার দাবির মুখে সরকার সাগরে জেগে ওঠা বঙ্গবন্ধুর আইল্যান্ডে কোস্টগার্ডের বেইজের সার্ভে কাজ শুরু করে। এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জেলেরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত এ কাজের বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় চোরাচালানরোধ, মংলা বন্দরগামী দেশী-বিদেশী জাহাজ ও সাগরে মাছধরা জেলেদের নিরাপত্তার দাবির মুখে সরকার সাগরে জেগে ওঠা বঙ্গবন্ধুর আইল্যান্ডে কোস্টগার্ডের বেইজের সার্ভে কাজ শুরু করেছে। রোববার প্রশাসনের ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গবন্ধুর আইল্যান্ডে সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। সুন্দরবনের দুবলা ও হিরেন পয়েন্টের পূর্ব ও দক্ষিণে জেগে ওঠা বঙ্গবন্ধুর আইল্যান্ডে কোস্টগার্ডের বেইজ নির্মাণ হলে সমূদ্রগামী জাহাজ ও জেলেদের নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মংলা থেকে প্রায় ১২০ নটিক্যাল মাইল দুরে সমুদ্র বক্ষে প্রায় দেড় যুগ আগে একটি বালুচর জেগে উঠে। ধীরে ধীরে জোয়ার-ভাটায় ভেসে আসা নানা প্রজাতির গাছ-পালা জন্মানো শুরু করে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু সুন্দরী, কলা, কচু, বাদামগাছ বেড়ে উঠছে। নানা প্রজাতির পাখির বসাবসও শুরু হয়েছে। আলাদা ভূ-খন্ডে জেগে ওঠা চরটি দৈর্ঘ্য ১.২৮ নটিক্যাল মাইল ও প্রস্থ ১.২ নটিক্যাল মাইল। ১৫ বছর আগে জেলেরা চরটি নামকরণ করে ‘বঙ্গবন্ধুর আইল্যান্ড’ । এরপর থেকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ জলশীমায় চোরাচালানরোধ, মংলা বন্দরগামী দেশী-বিদেশী জাহাজ ও সাগরে মাছধরা জেলেরা নিরাপত্তা দাবি করে আসছেন।

শেয়ার