যশোর এমএম কলেজে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা॥ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে দুইশত

sports
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়ে (এমএম কলেজ) ৩৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়ালেখা করেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির তিন দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৫০টি ইভেন্টে মাত্র দুইশ’র মতো শিক্ষার্থী অংশ নেন। যার মধ্যে ১৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। ‘ক্রীড়ানিষ্ঠ প্রজন্ম, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শুরু হয়। আর গতকাল সমাপনী দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ‘ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি’র আহবায়ক ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছোলজার রহমান বলেন, দুই থেকে তিনটি ইভেন্ট বাদে সব খেলায় তিন থেকে চার জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এই পরিস্থিতি জানান দেয় শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল কর্মকা- থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। তারা যেমন শ্রেণি কক্ষে ক্লাস করতে আসে না, তেমনি খেলাধুলায়ও অংশ নেয়নি।
জানা যায়, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৩০ সদস্যের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’১৬ উদ্যাপন কমিটি ও চার সদস্যের একটি ক্রীড়া পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া গঠন করা হয় ‘প্রচার, ধারাভাষ্য, মাইক, ক্রীড়াবিদদের তালিকা প্রণয়ন ও ফলাফল সংরক্ষণ’, ‘অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন’, ‘আমন্ত্রণপত্র, সার্টিফিকেট ও স্মরণিকা প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও বিতরণ’, ‘মিনি ম্যারাথন পরিচালনা’, ‘সাজ-সজ্জা’, ‘মাঠ প্রস্তুত’ এবং ‘পুরস্কার ক্রয়, সংরক্ষণ ও বিতরণ’ নামে সাতটি উপ-কমিটি। সব মিলিয়ে কমিটি ৯টি। এসব কমিটিতে ৯৫ জন শিক্ষক ও ৫৯ জন শিক্ষার্থী দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ছিলেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। তারপরেও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের কোন তালিকা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার