যশোরে মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন॥ শিক্ষকদের কোর্চিং ও গাইড বাণিজ্যের কারণে শিক্ষারমান বাড়ছে না

mot
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন বলেছেন, দেশের শিক্ষার হার বাড়লেও গুণগত মান বাড়ছে না। তাই সরকার শিক্ষার মান বৃদ্ধি জন্য কাজ করছে। এজন্য নতুন শিক্ষানীতি চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজারের গাইড বই ও শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা। আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাজারের এসব নোট ও গাইড বই পড়তে বাধ্য করছেন।
রোববার যশোর জিলা স্কুল অডিটরিয়ামে খুলনা বিভাগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক এটিএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামাল উদ্দিন হাওলাদার ও তাজিব উদ্দিন, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ, যশোর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ নিখিল কুমার রায়, যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম টুকু, খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমীন, অধ্যক্ষ আবু মাসুদ। বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আনামত উল্লাহ, আব্দুল মজিদ, যশোর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বুলবুল, যশোর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রাবণী সূর, পারভেজ মাসুদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ফাহিমা খাতুন আরো বলেন, শিক্ষার হার বৃদ্ধির জন্য বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে বই সরবরাহ করছে। মান বৃদ্ধিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমসহ ডিজিটাল সরঞ্জামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কাঙ্খিতমান বাড়ানো যাচ্ছে না। আমাদরে কাছে অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কৌশলে কোচিংয়ে পড়তে বাধ্য করছেন। শিক্ষার্থীদের ক্লাসবিমুখ করছেন। এসএসসি পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি নেওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগামীতে কোচিং ব্যবসা এবং নোট ও গাইড বই পড়তে বাধ্য করা শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার