যশোরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন॥ বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে : শাহীন চাকলাদার

sqahi
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন করেছে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো। সকালে জেলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা শহরের বকুলতলাস্থ বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিকালে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দেননি। দ্বিতীয় বিপ্লব আর্থনৈতিক মুক্তির ডাকও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিপ্লব তিনি শেষ করতে পারেননি। তার আগেই এদেশের পাকিস্তানি এজেন্টরা তাকে হত্যা করে। বর্তমানে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সেই বিপ্লব বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করছেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। যার প্রমাণ এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে এক হাজার ৩২০ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু চক্রান্ত এখনও চলছে। সেই চক্রান্ত আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে আদর্শের প্রতীক নৌকাকে জয়ী করে মোকাবেলা করতে হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্যরে সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক আব্দুল মজিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, যশোর পৌরসভার মেয়র ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসমলাম চাকলাদার রেন্টু, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আমিরুল ইসলাম রন্টু, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক জিএস টিপু, শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান লাল, জেলা শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি সৈয়দ মেহেদী হাসান, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল প্রমুখ।
শাহীন চাকলাদার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় যারা বিশ্বাস করে না তারা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিপক্ষে ভাগ করেছে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক, আদর্শের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিকে পরাজিত করতে হবে। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই। আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে আমাদের আদর্শ বঙ্গবন্ধু, প্রতীক নৌকা আর নেত্রী শেখ হাসিনা। এর মাঝে কেউ নেই। সবাই আমরা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা খয়রাত হোসেন, সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন খসরু, সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আসিফ-উদ-দ্দৌলা সরদার অলোক, জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি, কাউন্সিলর মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তা, সন্তোষ দত্ত, হাবিবুর রহমান চাকলাদার মনি ও গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

শেয়ার