বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে: রাম মাধব

madhob
সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশ সফররত ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব।
শনিবার শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি বলেছেন যে, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা এসেছে। “আপনার বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হচ্ছে, তা অতুলনীয়”, শেখ হাসিনার প্রশংসা করতে গিয়ে কথাটি বলেন রাম মাধব। গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে রাম মাধবের সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার দু’দেশের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

স্থলসীমা চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত আসার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পর সেনাপ্রধান হওয়া জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

পরবর্তীতে জিয়ার মৃত্যুর পর সেনাবাহিনী প্রধান এরশাদ সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আসার পর এই দুই সেনাশাসকই রাজনৈতিক দল গঠন করেন। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত তাদের ক্ষমতা গ্রহণকে অবৈধ হিসেবে রায় দেয়।

সাক্ষাৎকালে জিয়া ও এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণের পর রাজনৈতিক দল গঠন এবং তাদের ক্ষমতা গ্রহণকে আদালতের অবৈধ ঘোষণা করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, তার দল আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনও আপোষ করে নাই। আওয়ামী লীগই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে।

জনপ্রতিনিধিদের সর্বনিম্ন ধাপ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ২২ মার্চ এই নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ভারতের পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো।

সাক্ষাৎকালে রাম মাধব বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হবে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং অধিকার নিশ্চিত করায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব।

সাক্ষাৎকালে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও ইকবাল সোবহান চৌধুরী, মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ এবং বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার