বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবন ভাংচুর ও বোমা হামলা॥ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে যশোর আদালতে চার্জশিট

imigration
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবন ভাংচুর, বোমা হামলা, পুলিশের কাজে বাধাদান ঘটনার মামলায় চার্জশিট দিয়ে পুলিশ। ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে বেনাপোল বন্দর থানার এসআই মনিরুল ইসলাম যশোর আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।
অভিযুক্তরা হলেন, বেনাপোলের দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত আফতাব আলীর ছেলে রাশেদ আলী, আব্দুস সাত্তারের ছেলে ইদ্রিস আলী, ড্রাইভার আনছার আলী গাজীর ছেলে আমিন উদ্দিন, কালু মিয়ার ছেলে রুপচান, আব্দুর রহমানের ছেলে রায়হান, আব্দুল হাকিম মোল্লার ছেলে হাফিজুর রহমান, কাগজপুকুর গ্রামের মৃত সলেমানের ছেলে সাইফুল্লাহ, মোসলেম আলীর ছেলে পিন্টু, আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুর রহিম, গয়ড়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে লিয়াকত আলী, ভবেরবেড় গ্রামের আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে সাহাজউদ্দিন, ইসমাইল হোসেনের ছেলে আকতার হোসেন, আব্দুল মান্নানের ছেলে হিরা, বড়আঁচড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে মনিরুজ্জামান মনি, সাদিপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের ছেলে রাসেল বিশ্বাস, নড়াইলে কালিয়া উপজেলার নওয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং যশোর শহরের কাজিপাড়া রেজার বাড়ির ভাড়াটিয়া আসলাম হোসেন ও তার স্ত্রী সাহেদা বেগম।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি সাহেদা বেগম বৈধ পাসপোর্টে ২০১৫ সালের ৮ মে ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিচসহ ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে আসে। বেনাপোল চেকপোস্টে আসার পর ওই সকল পণের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা মামলামাল গুলো আটকের পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়। ওই মালামাল আটকের ঘটনায় ১০ মে দুপুর পৌনে ২টার দিকে আসামি রাশেদের নেতৃত্বে চেকপোস্টের কাস্টমস অফিসে হামলা করে। তাদের হামলায় পুলিশ কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন, মেজবাউল আলম, আসমত আলী, এখলাছুর রহমান ও হিঙ্গুল মিয়াকে জখম হন। এছাড়া কাস্টমস অফিসের কাঁচের দরজা ও জানালা ভাংচুর এবং বোমা হামলা চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড শর্টগান এবং ৫ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে।
এ ব্যাপারে এসআই জাকির হোসাইন বাদী হয়ে বেনাপোল বন্দর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দেয়া হয়।

শেয়ার