ট্রাম্পের সমাবেশে বিঘ্ন ঘটালেন ‘উত্ত্যক্তকারীরা’

tramp
সমাজের কথা ডেস্ক॥ যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপালিকান দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সমাবেশে উপর্যুপরি বিঘ্ন ঘটিয়েছেন ‘উত্ত্যক্তকারীরা’।

‘সুপার টিউসডের’ আগের দিন সোমবার দেশটির ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের র‌্যাডফোর্ডে এ ঘটনা ঘটে।
উত্ত্যক্তকারীদের মধ্যে ‘ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার’ আন্দোলনের কিছু কর্মীসহ অনেক প্রতিবাদকারীও ছিলেন। রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা ট্রাম্প বিভাজনের বীজ বপন করছেন, দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ করা হলেও এই সমাবেশে তা নগ্নভাবে প্রকাশ পায়।
বহু কৃষ্ণাঙ্গ প্রতিবাদকারী সমাবেশ ছেড়ে চলে যেতে থাকার সময় তা ধারণ করার চেষ্টারত এক সাংবাদিককে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের একজন এজেন্ট। সাংবাদিকের ঘাড় ধরে তাকে মাটির উপর দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান তিনি।
রোববার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি পরিষ্কারভাবে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদিতা সমর্থনের নিন্দা জানাননি- সমাবেশে এমন সমালোচনাকে ট্রাম্প পাশ কাটানোর চেষ্টাকালে সমাবেশে বিঘ্ন ঘটাতে শুরু করেন প্রতিবাদকারীরা।
প্রতিবাদকারীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন ট্রাম্প। চিৎকার করে প্রতিবাদকারীদের একজনকে বলেন, “তোমরা কি মেক্সিকো থেকে এসেছো?”
এ সময় নিরাপত্তা রক্ষীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, “অনুগ্রহ করে তাদের বের করে দিন, ওদের বের করে দিন।” তিনি থেমে থেমেই এ কথা বলতে থাকেন।
এ সময় ট্রাম্পের সমর্থকদের সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের সংঘাত বেধে যায়। দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়ে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে।
নিরাপত্তা রক্ষীরা কৃষ্ণাঙ্গ প্রতিবাদকারীদের ঘিরে ধরে বের করে দেওয়ার সময় চারপাশে থাকা লোকজন ‘সব জীবনই গুরুত্বপূর্ণ’ স্লোগান দিতে শুরু করে।
পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ ট্রাম্প ফের কথা বলা শুরু করেই বলেন, “আপনারা কথাটি আবার শুনতে যাচ্ছেন: সব জীবনই গুরুত্বপূর্ণ।” শ্রোতারা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক নিহত হওয়ার পর ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ নাগরিক অধিকার আন্দোলনটি গড়ে ওঠে।

শেয়ার