বাদুড়ের অভয়াশ্রম নাভারণ

badur
বেনাপোল প্রতিনিধি॥ যশোরের শার্শা নাভারনে একটি রেইন্টি (শিশু) গাছে হাজার হাজার বাদুড়ের অভয়াশ্রম গড়ে উঠেছে। সেখানে বাড়ছে বাদুড়ের বিস্তার-ঝাঁকে ঝাঁকে ঊড়ছে তারা বসছে গাছের ডালে। এযেন গাছে ঝুলে আছে কালো তারা। নাভারনের আবু রায়হান ও মনিরা খাতুন বলেন, এখন সবখানে তেমন আর বাদুড় দেখা যায়না।
যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলার নাম শার্শা। উপজেলা সদর থেকে ৫কিলোমিটার পূর্বে নাভারন দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রাম। গ্রামের সয়েদালীর বাড়ির পাশের শতাব্দি বছরের একটি রেইন্টি গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে ঝুলছে বাদুড়। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বাদুড়ের অভয়াশ্রম গড়ে উঠেছে এখানে। সকাল ও সন্ধ্যায় বাদুড়ের কিচির মিচিরে ঘুম ভাঙে এলাকার মানুষের। নিরিবিলি পরিবেশ পাওয়ায় বাদুড়ের অভয়াশ্রম গড়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ গরমের সময় একশ্রেণির মানুষ জালপেতে বাদুড় ধরে। তিন থেকে ৪শ টাকায় বাইরে বিক্রি হয় এই বাদুড়। রাত কানা ও বাত ব্যথার ঔষধ হিসাবে বাদুরের ব্যবহার হয় বলে জানা গেছে।

শেয়ার