টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের জ্বলে ওঠার প্রত্যয়

ttw
সমাজের কথা ডেস্ক॥ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিবর্ণ অধ্যায়টা পিছনে ফেলতে উদগ্রীব সাকিব-মাশরাফিরা। মাহমুদউল্লাহর আশা, এবারের এশিয়া কাপ দিয়ে টি-টোয়েন্টিতেও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ দল।
গত দেড় বছরের পারফরম্যান্সে এখন ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত শক্তিই বলা যায়, অন্তত দেশের মাটিতে। তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বাংলাদেশের জন্য বরাবরই বড় এক ধাঁধা। এমনকি মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে এই সময়ের সফল দলটিও মানিয়ে নিতে পারেনি এই সংস্করণের সঙ্গে।
তবে এবার টি-টোয়েন্টির সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিতে চায় বাংলাদেশ দল। সোমবার অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মাহমুদউল্লাহ জানালেন নিজেদের নতুন করে চেনানোর প্রত্যয়।
“আশা করি এবারের এশিয়া কাপে আমরা এই নড়বড়ে অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারব। আমরা এবার জ্বলে উঠব।”
উপমহাদেশের অন্য তিন বড় শক্তি, ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার তুলনায় টি-টোয়েন্টির ব্যাটিং, স্ট্রাইক রেটে অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। এবার এশিয়া কাপে এখানেই নিজেদের উন্নতিটা দেখাতে চান মাহমুদউল্লাহ।
“এটাই চ্যালেঞ্জ আমাদের। সবাই বলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা ভালো দল নই। এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ, নিজেদের প্রমাণ করতে হবে আমাদের। স্ট্রাইক রেট আরও ভালো করতে হবে। আগ্রাসী ক্রিকেট খেললে নিজের খেলাও ভালো হবে, দলেরও ভালো হবে।”
২২ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষে খুলনা ও চট্টগ্রামে দুই দফা অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। টি-টোয়েন্টির ব্যাটিং ও বোলিং নিয়ে নিবিড় ভাবে কাজ করেছে সবাই। সেই পরিশ্রমের প্রতিফলন এবার মাঠে রাখতে চান মাহমুদউল্লাহ।
“কিছুটা সময় আমাদের দরকার ছিল টি-টোয়েন্টির ঘাটতিগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য, স্কিলে উন্নতির জন্য। প্রস্তুতির জন্য এর চেয়ে ভালো সময় আর ছিল না। কিছু জিনিস ওয়ার্কআউট করার দরকার ছিল। আমরা সেসব করেছি। দিনশেষে মাঠে গিয়ে সেসব দেখাতে হবে। মাঠে দেখাতে পারলে প্রস্তুতিও সফল হবে।”
২০১২ সালের এশিয়া কাপে দেশের মাটিতে ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে গিয়েও হেরেছিল বাংলাদেশ। গত এশিয়া কাপে আবার বাংলাদেশ হেরেছিল সব ম্যাচই। গতবারের হতাশা, তার আগের বারের আক্ষেপ, সব পিছনে ফেলার প্রত্যয় শোনা গেল মাহমুদউল্লার কণ্ঠে।
“দেশের জার্সি গায়ে যখন খেলতে নামি আমরা, সবসময়ই প্রতিজ্ঞা কাজ করে। সবসময়ই সবাই ভালো করতে চায়। গত এশিয়া কাপে ভালো সুযোগ থাকলেও আমরা পারিনি। এবার তেমন কিছু চাই না। কাছাকাছি (ফাইনালের) যেতে চাই, এরপর সেখান থেকে যেন সুযোগ না হারাই।”

শেয়ার