যশোরে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে বাড়ি থেকে আটকের পর অস্ত্র দিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলা

mamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ রোববার রাতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে যশোরে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে বাড়ি থেকে আটকের পর অস্ত্র দিয়ে দুইটি ‘মিথ্যা’ মামলা দিয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ডাকাতি চেষ্টাকালে অস্ত্র-গুলি ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ।
জানা গেছে, র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের একটি দল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের কারবালা বামনপাড়ায় অভিযান চালায়। এসময় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফেজ, সহ-সম্পাদক তাপস বিশ্বাসসহ সাতজনকে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে একটি ওয়ানশুটারগান, চার রাউন্ড গুলি এবং ২২ হাজার ২১০ টাকা এবং ১৩টি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার দেখানো হয়েছে। এঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় ডাকাতি চেষ্টা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দু’টি মামলা করেছে। তবে ভুক্তভোগীদের স্বজনরা বলেছেন, বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে অস্ত্র দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে র‌্যাব।
সোমবার ওই সাতজনকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আতদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
আটককৃরা হলেন, শহরের কারবালা বামনপাড়ার মৃত আলাউদ্দিন শেখের ছেলে হাফিজুর রহমান হাফেজ, পশ্চিম বারান্দীপাড়া কদমতলার অরবিন্দু বিশ্বাসের ছেলে তাপস বিশ্বাস, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুভাসিনি গ্রামের সরকারপাড়ার আবু বক্কার সরদারের ছেলে হাফিজুর রহমান, যশোরের সুজলপুর ধর্মতলা এলাকার জিন্দার শেখের ছেলে আরিফুল ইসলাম ইপু, উপশহর ৭ নম্বর সেক্টর এলাকার সৈয়দ রওশন আলীর ছেলে শামিম, শহরের খড়কির আইয়ুব হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন এবং মনিরামপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের মৃত আকবর মাস্টারের ছেলে হাসিবুর রহমান।

শেয়ার