বেতন বাড়ছে নিম্ন আদালতের বিচারকদের

cabi
সমাজের কথা ডেস্ক॥ অষ্টম বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাবে সায় দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস সদস্যদের বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি নির্ধারণ’ প্রস্তাব অনুমোদন পায়।
এর ফলে নিম্ন আদালতের বিচারকরা চাকরিতে ঢোকার পর ৩০ হাজার ৯৩৫ টাকা মূল বেতন পাবেন। আর জ্যেষ্ঠ জেলা জজদের সর্বনিম্ন মূল বেতন হবে ৭৮ হাজার টাকা।
বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, “পে-কমিশনের সুপারিশ একটু পুনর্বিন্যাস করে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সদস্যদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।”
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কার্যকর হবে।
সবশেষ ২০০৯ সালে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতান-ভাতা বাড়ানো হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জ্যেষ্ঠ জেলা জজের মূল বেতন ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে তারা সচিবের সমান বেতন পাবেন।
এছাড়া জেলা জজদের বেতন ৩৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ হাজার ৯২৫, অতিরিক্ত জেলা জজদের বেতন ৩২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ হাজার ৩৫০, যুগ্ম-জেলা জজদের বেতন ২৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৪ হাজার ৩৭০ টাকা করা হয়েছে।

আর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজদের বেতন ২৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৪ হাজার ৪৫০ ও সহকারি জজদের বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার ৯৩৫ টাকা করা হয়েছে বলে জানান শফিউল আলম।
জ্যেষ্ঠ জেলা জজদের বেতন ৯৫ শতাংশ, জেলা জজদের ৯৭ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, অতিরিক্ত জেলা জজদের ৯৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যুগ্ম-জেলা জজদের ৯৪ দশমিক ১৮ শতাংশ, জ্যেষ্ঠ সহকারী জজদের ৯৩ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সহকারী জজদের বেতন ৯৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ বাড়ছে।
অন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মত বিচারকদেরও পেনশন সুবিধা ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হয়েছে বলে জানান শফিউল আলম।

শেয়ার