দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ আশ্রয়কেন্দ্রে সংঘর্ষে নিহত ১৮

Sudan
সমাজের কথা ডেস্ক॥ দক্ষিণ সুদানের রাজনৈতিক ও জাতিগত হানাহানি থেকে প্রাণরক্ষার জন্য জাতিসংঘ কম্পাউন্ডে আশ্রয় নেওয়া লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী মিতস সঁ ফঁতিয়া (এমএসএফ)-র দুই কর্মী রয়েছেন বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দেশটির প্রেসিডেন্ট সালভা কির ও ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়েক মাচারের মধ্যে বিরোধের সূত্রধরে মাচারকে পদচ্যুত করেন কির। এর জেরে ডিসেম্বরে এ দুজনের সমর্থকরা লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এই লড়াই প্রায় নৃগোষ্ঠীগত লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লোকজন জাতিসংঘ নিয়ন্ত্রিত ‘বেসামরিকদের রক্ষা’ স্থাপনা বা পিওসি-তে আশ্রয় নিতে শুরু করে। গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

দক্ষিণ সুদানে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন ইউএএমআইএসএস বৃহস্পতিবার জানায়, জাতিসংঘের মালাকাল আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া দুটি নৃগোষ্ঠীর তরুণদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন।

পরে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র সাতজন নিহত হওয়ার কথা জানান।

কিন্তু ‘ডক্টরস উইথআউট বর্ডারস’ নামে পরিচিত এমএসএফ এক বিবৃতিতে জানায়, “মালাকাল পিওসিতে শুরু হওয়া সশস্ত্র এ সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে মিতস সঁ ফঁতিয়ার দুই সুদানি কর্মী রয়েছেন। নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হয়ে তারা নিহত হন।”

এমএসএফ সংঘর্ষে আহত ৩৬ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে বলে জানিয়েছে, এসব আহতদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

ইউএনএমআইএসএস জানায়, বুধবার রাতে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র, তলোয়ার ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে শিলুক ও দিনকা নৃগোষ্ঠীর তরুণরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

শেয়ার