সর্দারজীর ঠাট্টা আদালতের খাঁড়ায়

sardarji
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বর্ণবাদ, ধর্মবিদ্বেষ, যৌনগন্ধ থাকার পরও সর্দারজীর জোক বা কৌতুক বহুকাল ধরে সারা ভারতের মানুষের মধ্যে হাসির খোরাক জুগিয়ে আসছিল; তবে এখন তাতে বাদ সেধেছে আদালত।
লোকায়ত এই কৌতুকগুলোর মধ্যে যেগুলো বর্ণবাদী ও বিদ্বেষমূলক, তা প্রচার বন্ধ করতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছে বলে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সর্দারজীর কৌতুক ছাপানো এমনকি ইন্টারনেটেও প্রকাশ বন্ধে একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের এই বক্তব্য আসে।
শিখ সরদারের নানা কান্ড-কীর্তি, উপদেশ-পরামর্শকে উপজীব্য করে প্রচলিত এই কৌতুকগুলো নিয়ে ভয়ানক আপত্তি রয়েছে এই সম্প্রদায়ের মানুষের।
ভারতের অন্য অঞ্চলের মানুষ পাগড়ী পড়া সর্দারজীর কথায় হাসিরে হুল্লোড়ে মাতলেও শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে তার ব্যতিক্রম দেখা যায়। কৌতুকগুলোতে তারা হাসির পাত্র হওয়ায় শুনে তাদের মন উল্টো ভার হয়।
শিখদের গুরুদুয়ারা ব্যবস্থাপনা কমিটিই সর্দারজীর কৌতুকে আপত্তি জানিয়ে তা বন্ধে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছিল।
বর্ণবাদী ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক কৌতুকগুলোর প্রচার থেকে তরুণ সমাজকে বিমুখ করতে আদালতের দ্বারস্ত হয়েছিল এই কমিটি।
তাদের আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ আবেদনকারী হরবিন্দর চৌধুরী এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আর এস সুরিকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করে আনার নির্দেশ দেয়।

শেয়ার