খুলনায় ৬ ‘দস্যুর’ ১০ বছর কারাদন্ড

karadondo
সমাজের কথা ডেস্ক॥ অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে সুন্দরবনের ছয় ‘দস্যুকে’ ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে খুলনার একটি আদালত।
মঙ্গলবার খুলনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম দন্ডিতদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডিতরা হলেন বাগেরহাটের মংলার চৌরিভাঙ্গার জালাল মোল্লার ছেলে আলী মোল্লা ওরফে রাজু ওরফে অলিউর রহমান রাজু, তার ছোট ভাই অহিদ মোল্লা, মিঠাখালী গ্রামের আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে কামরুল শেখ, রামপালের শ্রীফলতলা গ্রামের দলিল উদ্দিন শেখের ছেলে শহিদুল শেখ, বড় কাঠালি গ্রামের জোনাব আলী শেখের ছেলে খোরশেদ শেখ এবং কাঠালবাড়ী গ্রামের মৃত হামিদ গাজীর ছেলে ফরিদ গাজী।
মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জেসমিন সুলতানা জলি জানান, ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর সুন্দরবনের নিশানখালী এলাকায় র‌্যাব-৮ বনদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়।
“ওই সময় দুপক্ষের মধ্যে সোয়া তিন ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ হয়।
“এক পর্যায়ে বনদুস্যরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে দুই বনদস্যুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরা হলেন রাজু বাহিনীর সক্রিয় সদস্য সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পানখালী গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান ও পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার টগরা গ্রামের ছবুরের ছেলে মাসুম।”
ঘটনাস্থল থেকে ৫টি একনলা বন্দুক, ১টি কাটা বন্দুক, ৬টি এলজি, ৩টি এয়ারগান, ১টি দোনলা বন্দুক, ১৪৭ রাউন্ড বন্দুক ও রাইফেলের গুলি, ৪টি ছোট বড় দা, ১টি ছুরি, ২টি কুড়াল, মোবাইল ফোন চার্জারসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, ওই ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দাকোপ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আজহারুল ইসলাম ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা বলেন, অস্ত্র রাখার দায়ে ১০ বছর এবং গুলি রাখার দায়ে ১০বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। “উভয় দন্ড একই সঙ্গে চলবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে।”

শেয়ার