ঢাকা আওয়ামী লীগের নেতা আজিজ মারা গেছেন

2

ab aziz

সমাজের কথা ডেস্ক॥ মস্তিস্কের রক্তক্ষরণে মারা গেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ। পুরান ঢাকার বকশীবাজার এলাকার বাড়িতে শনিবার দুপুরে হঠাৎ পড়ে গেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু ঘটে।
আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক জানিয়েছেন।
বিকালে তার বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সান্ত্বনাও দেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জানাজার পর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় এই আওয়ামী লীগ নেতাকে।
আজিজের মৃত্যুর খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকার সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. সেলিমসহ নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে জড়ো হন।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, “চিকিৎসকরা বলেছেন, উনার (আজিজ) স্ট্রোক হয়েছিল।”
আজিজের স্বজনরা জানান, তিনি খেতে উঠতে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।
আজিজ (৭৫) স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন। তার বড় ছেলে উমর বিন আব্দুল আজিজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখা ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে গত আট বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আজিজ।

২০০৩ সালে সম্মেলনে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা মহানগরের সভাপতি নির্বাচিত হলে ওই কমিটিতে সহসভাপতি হন আজিজ।
২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনার পাশে এম এ আজিজ ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনার পাশে এম এ আজিজ
একুশে অগাস্টের গ্রেনেড হামলায় আহত হানিফ ২০০৭ সালে মারা যাওয়ার পর আজিজকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তারপর থেকে তিনি এই দায়িত্বেই ছিলেন। ২০১২ সালে কাউন্সিল হলেও নতুন কমিটি গঠিত না হওয়ায় আজিজ আগের মতোই ভারপ্রাপ্ত সভাপতির হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
ঢাকায় আওয়ামী লীগকে সক্রিয় রাখতে আজিজের অবদান স্মরণ করেন রাজধানীর সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান কামাল।
শোক বার্তায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন, “তার মৃতুতে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত, ত্যাগী এবং নিবেদিত প্রাণ একজন নেতাকে হারাল।