কোয়ার্টার-ফাইনালে উইন্ডিজ

west
সমাজের কথা ডেস্ক॥ জ্যাসন হোল্ডারের দারুণ বোলিং আর জনসন চার্লসের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে সহজ জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৬ উইকেটে রান-রেট বাড়ানো জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটের ওঠার কাজটাও সহজ করে রাখে তারা। পরে পাকিস্তান-আয়ারল্যান্ডের মধ্যে গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে ফল হওয়ায় চতুর্থ হয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে গেছে ক্যারিবীয়রা।
‘বি’ গ্রুপে রান রেট পাকিস্তানের (-০.১৯৪) ওপরে নিয়ে যেতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে বড় জয় দরকার ছিল দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের। চোটের কারণে ক্রিস গেইল না খেললেও সেই লক্ষ্য পূরণে কোনো সমস্যা হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের (-০.০৫৩)।

তাই পাকিস্তান-আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ পরিত্যক্ত বা টাই না হওয়ায় কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

আরব আমিরাতকে দুইশ’ রানের নিচে বেধে রাখায় দারুণ অবদান দুই পেসার হোল্ডার আর জেরোম টেইলরের। তাদের দাপুটে বোলিংয়ে ৪৭ ওভার ৪ বলে ১৭৫ রানে অলআউট হয়ে যায় আরব আমিরাত।

রান রেট পাকিস্তানের ওপরে নিয়ে যেতে ৩৬ ওভার ২ বলের মধ্যে জয় দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। জনসন ও জোনাথান কার্টারের অর্ধশতকে ৩০ ওভার ৩ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। মানজুলা গুরুগে শুরুতেই ফিরিয়ে দেন ডোয়াইন স্মিথ ও মারলন স্যামুয়েলসকে। তবে জনসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তার কোনো প্রভাব পড়েনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে।

অর্ধশতক করে ফিরে যান জনসন (৫৫)। তার ৪০ বলের ইনিংসটি ৯টি চার ও ২টি ছক্কা সমৃদ্ধ।

রানের গতি বাড়াতে পাঁচ নম্বরে পাঠানো হয় আন্দ্রে রাসেলকে। ভালো করতে পারেননি মাত্র ৭ রান করে ফিরে যান তিনি। তবে দিনেশ রামদিনকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সহজেই সারেন কার্টার।

অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে রামদিনের সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি উপহার দেয়া কার্টার অপরাজিত থাকেন ৫০ রানে। তার ৫৮ বলের ইনিংসটি সাজানো ৫টি চারে।

এর আগে রোববার ন্যাপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে

শুরুতেই বিপদে পড়ে আরব আমিরাত। হোল্ডার-টেইলরের তোপে মাত্র ২৬ রানে প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারায় সহযোগী দেশটি।

ম্যাচ সেরা হোল্ডার ২৭ রানে নেন ৪ উইকেট আর টেইলর ৩ উইকেট নেন ৩৬ রানে। তাদের তোপে দুই অঙ্কেই যেতে পারেননি আরব আমিরাতের প্রথম ছয় ব্যাটসম্যান।

দলীয় ৪৬ রানে ফিরে যান আগের ম্যাচে অর্ধশতক করা স্বপ্নিল পাতিল। এরপরই জাভেদ ও নাসিরের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে আরব আমিরাত। ১০৭ রানের জুটি গড়েন এই দুই জনে।

তবে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিতে জাভেদ (৫৬), নাসিরের (৬০) প্রচেষ্টা যথেষ্ট ছিল না। এই দুই জনের বিদায়ের পর বেশি দূর এগোয়নি আরব আমিরাতের সংগ্রহ। সহযোগী দেশটির ছয় ব্যাটসম্যান বোল্ড হয়ে বিদায় নেন।

শেয়ার