মিয়ানমারে ফেরিডুবিতে ৫০ জনের মৃত্যু

ferry
সমাজের কথা ডেস্ক॥ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে মিয়ানমার উপকূলে ২০৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে।

শনিবার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ফেরিটির প্রায় ৫০ জন যাত্রী মারা গেছেন বলে ধারণা করছেন তারা।

তবে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাদের বিশ্বাস আরো বেশি মানুষ মারা গেছেন।

শুক্রবার বিকেলে পশ্চিম উপকূলীয় শহর তাউঙ্গগক থেকে রাখাইন রাজ্যের প্রধান শহর সিত্তউয়ির উদ্দেশে যাত্রা করেছিল ফেরিটি। সাগর তখন উত্তাল ছিল।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পাইয়াই নায়িন জানিয়েছেন, ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

“নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছেন,” বলেছেন তিনি। তবে নিখোঁজ যাত্রীদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রবল ঢেউয়ের কারণে ডুবে যাওয়া ফেরিটির ১৬৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।

তাউঙ্গগকের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আউঙ্গ তাগুন-৩ নামের সরকারি ওই ফেরিটিতে টিকেট ছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে বলে মনে করছেন তারা।

শহরটির এক ব্যবসায়ী বলেছেন, “টিকেট বিক্রির সংখ্যা থেকে যাত্রীর সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়টি নির্ভরযোগ্য নয়। কারণ প্রায়ই টিকেট বিক্রির চেয়ে যাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়ে থাকে, প্রায় সময়ই এমন হয়।”

“তাই নিখোঁজ যাত্রীর সংখ্যা ২৭ জনের থেকে অনেক বেশি হবে। এই আবহাওয়ায় তাদের উদ্ধারের তেমন আশা করছি না আমরা,” বলেছেন তিনি।

ছোট, পুরানো নৌযান ব্যবহার ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন করার কারণে মিয়ানমারের সাগরে নৌ-দুর্ঘটনা একটি নিয়মিত ঘটনা।

শেয়ার