রাত পোহালেই যশোর ইন্সটিটিউটের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন ॥ পুরানোদের ‘রিজার্ভ’ ভোট, নতুনদের ইমেজ নিয়ে মাঠে তৎপর দু’প্যানেলই

jessore  public library
শ্রাবণ সরকার॥
রাত পোহালেই ঐতিহ্যবাহী যশোর ইন্সটিটিউটের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। ইতিমধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে দুই পক্ষ বিপক্ষ শিবিরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেক সাধারণ ভোটার নতুন প্রার্থীদের ইমেজকে গুরুত্বের সাথে দেখছেন। আবার অনেকে ‘রিজার্ভ’ ভোটই বরাবরের মতো নির্বাচনী ফলাফলে নিয়ন্ত্রক হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন।
সূত্র মতে, যশোর ইন্সটিটিউটের আগামীকালের নির্বাচনে তিন হাজার ১৪৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের ভোটে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী কমিটির ২০ জন আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। ইতিমধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষে ভাগ হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৪০ জন ভোটারদের সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করাসহ নিজেদের অবস্থান জানান দিতে শহরময় ব্যানার ফেস্টুনে টানানো হয়েছে। বিশেষ করে যশোর ইন্সটিটিউট চত্ত্বর প্রার্থীদের ছবিসম্বলিত প্রচারপত্রে ছেয়ে ফেলা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন নতুন প্রার্থী সাধারণ ভোটারদের মন কেড়েছেন। আর কোন প্যানেলভুক্ত না হয়ে এককভাবে নির্বাচন করা হাবিবুর রহমান রুবেলও রয়েছেন বেশ আলোচনায়। তবে এতসব প্রচারণা আর নতুন প্রার্থীদের ইমেজকে পিছনে ফেলে বরাবরের মতো এবারও হাতে গোনা কয়েকজনের ‘রিজার্ভ’ ভোট নির্বাচনী ফলাফলের মূল নিয়ামক হতে যাচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
সূত্র জানায়, শেখ রবিউল আলম, অ্যাড. শহীদ আনোয়ার, ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু, শ্রাবস্তী আহমেদ, অধ্যক্ষ মুস্তাক আহমেদ শিম্বা এবং এম এ মতিন সিদ্দিকীর যশোর ইস্টটিটিউটের রিজার্ভ ভোট রয়েছে। যেসব ভোটাররা তাদের কথা মতো ভোট দিবেন। এই ছয় প্রার্থীই প্রতিষ্ঠানটির হাজার খানেক ভোটার নিয়ন্ত্রণ করেন।
এই ছয় জনের বাইরে অল্প-বিস্তর ভোটার নিয়ন্ত্রণ করেন সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতির প্রার্থী কাজী লুৎফুন্নেছা, রওশন আরা রাসু, আব্দুর রহমান কিনার পিতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, পরিবর্তন ও উন্নয়ন সমিতির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান কাবুল, রফিকুর রহমান তোতন ও অ্যাড. চুন্নু সিদ্দিকী। সব মিলিয়ে হাজার দেড়েক ‘রিজার্ভ ভোটের মালিক’রা এবার নির্বাচন করছেন। তাই বাকি অর্ধেকের কিছু বেশি ভোটার নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও এই রিজার্ভ ভোটই ফলাফলে প্রভাব বিস্তার করবে বলে মত যশোর ইন্সটিটিউটের নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের।

শেয়ার