ইতিহাস গড়ার আশায় আফগানিস্তান-স্কটল্যান্ড

Afgan Scot

সমাজের কথা ডেস্ক॥ আফগানিস্তান অথবা স্কটল্যান্ড- যে দলই জিতুক, এই ম্যাচে একটা ইতিহাস রচিত হবে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের স্বাদ পাবে যে কোনো এক দল। ক্রিকেট বিশ্বের কাছে এই ম্যাচের তেমন গুরুত্ব হয়ত নেই, তবে বাংলাদেশের গ্রুপে থাকা এই দুই দেশের জন্য এটা রোমাঞ্চকর এক লড়াই-ই হবে।
বৃহস্পতিবার নিউ জিল্যান্ডের ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে আইসিসির দুই সহযোগী দেশের লড়াই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায়।
সহযোগী দেশ হিসেবে দুই দলই একে অপরকে সমানে সমান প্রতিপক্ষ মনে করছে এবং এই কারণেই জয়ের প্রেরণাটা উভয় দলের মধ্যে সমান।
এই বছরে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসটাও সমানে সমান। মুখোমুখি হওয়া দুই ম্যাচের একটিতে স্কটল্যান্ড জেতে, অন্যটিতে আফগানিস্তান। দুই দলই একই রকমভাবে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেয়।
প্রথম ম্যাচটি আফগানিস্তান জেতে ৮ উইকেটে, আর দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ড জেতে ১৫০ রানে। দুই দলের সবশেষ ৫ ম্যাচের পরিসংখ্যানও একই রকম। সবশেষ খেলা ৫ ম্যাচের মাত্র একটিতে জয় আফগানদের, স্কটল্যান্ডেরও তাই। দুটি দলেরই ওই একটি জয়ের আগে ও পরে দুটি করে পরাজয়।
এই সমানে সমান অবস্থার মধ্যেই মানসিকভাবে এগিয়ে থাকার দাবি করেন স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক প্রেস্টন মমসেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচটি তারাই জেতে।
“আবু ধাবির ওই ম্যাচ থেকে প্রচুর পরিমাণ আত্মবিশ্বাস নেই আমরা। আমি মনে করি, মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে আমরা। তাদের বিপক্ষে আমাদের পরিষ্কার কৌশল ছিল এবং আমি খুব নিশ্চিত যে, আমরা আগামীকালও (বৃহস্পতিবার) একই কৌশল নিয়ে নামব।”

আফগানিস্তানের খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসের খোঁজে দেশের মানুষের অফুরান ভালোবাসাকেই পূঁজি করছে। দেশটির ব্যাটসম্যান জাভেদ আহামাদি যেন সবার মনের কথাটাই বলে দেন।

“দুই দলই সহযোগী বলে এই ম্যাচ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, স্কটল্যান্ডকে ভালোভাবেই হারাব আমরা। ৃআমরা দেশকে উপস্থাপন করছি, তাই সবাই উন্মুখ হয়ে আছে এবং সবাই জিততে চায়।”

সাম্প্রতিক পরিংসখ্যান ও মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস সমানে সমান, আত্মবিশ্বাস আর মানসিক শক্তির দিক দিয়েও একে অপরের মতো বলিয়ান, মর্যাদার বিচারেও তারা একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে।

আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডের মধ্যে পার্থক্য একটাই-এর আগে দুটি বিশ্বকাপ খেলেছে স্কটল্যান্ড, আর আফগানিস্তান খেলেছে মাত্র দুটি ম্যাচ।

শেয়ার