যশোর ইন্সটিটিউট নির্বাচন সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতির ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রকাশ

ins
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর ইন্সটিটিউট পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে শেখ রবিউল আলম নেতৃত্বাধীন সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি সোমবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে এ প্যানেল থেকে অংশ নেয়া প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া সংবাদ সম্মেলন থেকে সংস্কার ও উন্নয়ন প্যানেলের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকাশিত বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগের জবাবও বর্তমান পরিষদের সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডাঃ আবুল কালাম আজাদ লিটু। এ সময় সংস্কার ও উন্নয়ন প্যানেল তাদের বক্তব্যে দাবি করে, পরিবর্তন ও উন্নয়ন সমিতির ৯ জন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলমকে সরিয়ে পদটি দীর্ঘ ৩ বছর ধরে দখলের চেষ্টা করেন। এমনকি আসন্ন নির্বাচন পরবর্তী পরিচালনা পর্ষদে পর্যায়ক্রমে দুই বছর একজন ও পরবর্তী এক বছর অন্য কেউ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেন। তাদের এ অগঠনতান্ত্রিক প্রস্তাব মেনে না নেওয়ায় পরিবর্তন ও উন্নয়ন সমিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরো দাবি করা হয় যশোরের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত শেখ রবিউল আলমের জন্মদিন অনুষ্ঠানকে ইন্সটিটিউটের অনুষ্ঠান বলে পরিবর্তন ও উন্নয়ন প্যানেল তাদের ইশতেহারে যে দাবি করেছেন তা সম্পূর্ণ অসত্য। তারা এ সময় সে জন্মদিন অনুষ্ঠানের পুস্তিকা সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন।
পরিবর্তন ও উন্নয়ন সমিতির প্রার্থীদের সাথে একটি মিটিং এ উপস্থিত থাকা নিয়ে ডাঃ আবুল কালাম আজাদ লিটুকে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত বছর ২৮ ডিসেম্বর সামাজিক ব্যক্তি হিসেবে এক পরিকল্পনা মিটিংয়ে আমি উপস্থিত ছিলাম। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এবং সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতির প্রধান শেখ রবিউল আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, তারা তিন বছর ধরে পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন। তখন কোন অভিযোগ তারা করেননি। তারা ইচ্ছা করলে আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে পারতেন। আমার সময়ে ইন্সটিটিউটের সংস্কার ও উন্নয়নের পরেও বর্তমানে ইন্সটিটিউটের ব্যাংক স্থিতি ৫০ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এ প্যানেল নির্বাচনে জয়ী হলে ইন্সটিটিউটকে আরো গতিশীল করে তুলতে গঠনতন্ত্রের যুগোপযোগী পরিবর্তন, রায় বাহাদুর যদুনাথ মজুমদারের সম্মানে যদুনাথ মেলার আয়োজন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি চালু, বই ব্যাংকের চতুর্থ তলায় সংস্কৃতি মিউজিয়াম, ইন্সটিটিউট চত্ত্বরকে সবুজকরণ, কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শেয়ার