নড়বড়ে ইংল্যান্ডের সামনে এবার কিউইরা

PREVIEW
সমাজের কথা ডেস্ক॥ মেলবোর্ন থেকে ওয়েলিংটন, তাসমান সাগরের এক পার থেকে আরেক পারে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। এক স্বাগতিকের ডেরা থেকে আরেক স্বাগতিকের ডেরায়। তাদের সামনে এবার টানা দুটি জয়ে আত্মবিশ্বাসী নিউ জিল্যান্ড। শুক্রবার নিউ জিল্যান্ডের ওয়েলিংটনের ওয়েস্ট প্যাক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হবে ম্যাচটি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা নিউ জিল্যান্ড স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটিও জেতে। তবে ওই ম্যাচে ৩ উইকেটের ছোট জয় স্বাগতিকদের একটা ধাক্কাও দেয়। এরপরও অবশ্য বেশ আত্মবিশ্বাসী নিউ জিল্যান্ড। আর তাদের সেই আত্মবিশ্বাসের বহি:প্রকাশ ঘটে অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালামের একটি কথায়। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জেতা ম্যাচের দলটিই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বলে জানান তিনি। আর এই দলের ওপর তার পূর্ণ আস্থা আছে বলেও উল্লেখ করেন ম্যাককালাম। ওয়েস্ট প্যাক স্টেডিয়ামে নিউ জিল্যান্ডের ওয়ানডে পারফরম্যান্স এবং সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসও বেশ সমৃদ্ধ। ওয়েস্ট প্যাকে সম্পূর্ণ হওয়া সবশেষ ১১টি ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে নিউ জিল্যান্ড। আর এই মাঠে খেলা দুটি ওয়ানডেতেই হেরেছে ইংল্যান্ড। সবশেষ ১৬টি ওয়ানডেতে মাত্র তিনবারই অলআউট হয় নিউ জিল্যান্ড। অন্য পাশে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক ওয়ানডে পারফরম্যান্স খুবই করুণ। সবশেষ খেলা ১৮টি ওয়ানডেতে ১২ বারই অলআউট হয় ইংল্যান্ড। আর ওয়েস্ট প্যাক স্টেডিয়ামের সর্বনিম্ন ৮৯ রানের ইনিংসটিও তাদের, ২০০২ সালে এই রানে অলআউট হয় তারা। এর ওপর ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ওয়েন মরগ্যানের সময়টাও ভালো যাচ্ছে না। গত ৫ ম্যাচে মাত্র ২ রান করতে পেরেছেন তিনি। আর সবশেষ আটটি ওয়ানডেতে মরগ্যান ৫ পেরোতে পারেন মাত্র একবার। আসলে ফর্মে নেই ইংল্যান্ডের আরও অনেকেই। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলা একই দল নিয়ে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তারা খেলবে না, এটা নিশ্চিত। তবে কাকে রেখে কাকে দলে আনবেন, সেটাও নিশ্চিত করতে পারছে না দলের ম্যানেজমেন্ট। এসব জানার পরও ম্যাককালাম ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার কথাই বলেন। মরগ্যানের দু:সময় কেটে যাবে বলেও মনে করেন তিনি। “কঠিন সময় স্থায়ী হয় না-সে চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়।” এই ম্যাচ জিতলে নকআউটে এক পা পড়বে নিউ জিল্যান্ডের। আর ইংল্যান্ড হেরে গেলে গ্রুপ পর্বে ভুল করার আর কোনো উপায় থাকবে না তাদের। ভুল করলেই গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হতে পারে ইংল্যান্ডের।

শেয়ার