উড়ন্ত নিউ জিল্যান্ডের সামনে স্কটল্যান্ড

New Zealand vs Scotland
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বিশ্বকাপে দুরন্ত সূচনা করা নিউ জিল্যান্ড এবার খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ওয়ানডের সেরা প্রতিযোগিতার সহ-আয়োজকদের জয় যতটা সহজ হবে ভাবা হচ্ছে, ততটা নাও হতে পারে। প্রস্তুতি ম্যাচে অন্তত তার ইঙ্গিতই দিয়েছে স্কটল্যান্ড।
মঙ্গলবার ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে ‘এ’ গ্রুপের খেলায় মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ড ও নিউ জিল্যান্ড।
এর আগে ১৯৯৯ ও ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কোনোবারই জয় পায়নি স্কটল্যান্ড। দুই আসরের আট ম্যাচেই হারা দলটি এবার নিজেদের প্রমাণের জন্য যে কোনো মূল্যে একটি জয় চায়।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭৯ রানের জয়ে দারুণ উজ্জ্বীবিত হয়ে আছে স্কটল্যান্ড। পরের প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হারেও আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি নেই তাদের। বরং ৩১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩ রানের হার প্রেস্টন মমসেনের দলকে অঘটন ঘটানোরই স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
স্কটল্যান্ড দলের অনেকেই ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন। তবে বিশ্ব আসরে খেলার অভিজ্ঞতা কম খেলোয়াড়েরই আছে। তারপরও সতীর্থদের ওপর আস্থার কমতি নেই মমসেনের।
তিনি জানান, স্কটল্যান্ড একটি তরুণ ও প্রাণবন্ত দল। মমসেনের বিশ্বাস, তার দলের খেলোয়ড়রা দারুণ পরিশ্রম করে খেলবেন।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এর আগে দুবার খেলে দুই ম্যাচেই হারে স্কটল্যান্ড। তবে গত বছরের অক্টোবরে নিউ জিল্যান্ড একাদশের বিপক্ষে মাত্র এক রানের হারে অনুপ্রেরণা খুঁজছে স্কটল্যান্ড।
কাজটা ভীষণ কঠিন হবে স্কটল্যান্ডের জন্য। বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে নিউ জিল্যান্ড এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট দল।
দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে নিউ জিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯৮ রানের জয়ে সেই আত্মবিশ্বাস আরো বেড়েছে।

তবে স্কটল্যান্ডকে হালকা করে দেখার কথা ভাবনাতেও আনছেন নিউ জিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তিনি জানান, দলের সবাই পুরোপুরি ‘ফিট’ এবং প্রত্যেকে খেলতে উন্মুখ হয়ে আছেন।

ডানেডিন ওভালে এর আগে চারটি ওয়ানডে খেলে নিউ জিল্যান্ড। এর চারটিতেই জেতে স্বাগতিকরা। চলতি বছর এখানে দুই ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ১০৮ ও ১২০ রানের বড় ব্যবধানে হারায় তারা।

পিচ যথারীতি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহায়কই হবে। বাউন্ডারির পরিধি ছোট হওয়ায় নিউ জিল্যান্ড আগে ব্যাট করলে তিনশ’ রানের আরেকটি ইনিংস দেখা যেতে পারে।

পরিবর্তন আসতে পারে নিউ জিল্যান্ড দলে। অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেটরির জায়গায় আসতে পারেন নাথান ম্যাককালাম। আর ট্রেন্ট বোল্টের জায়গায় দেখা যেতে পারে আরেক পেসার মিচেল ম্যাকক্লেনাগানকে।

এই ম্যাচের দিকে নজর থাকবে বাংলাদেশেরও। এই দুই দলকে নিউ জিল্যান্ডেই মোকাবেলা করবে তারা। ৫ মার্চ নেলসনে স্কটল্যান্ডের ও ১৩ মার্চ হ্যামিল্টনে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন মাশরাফি বিন মুর্তজারা।

শেয়ার