দুর্ঘটনায় এক বছর পূর্তি নিহত ৯ শিক্ষার্থীর স্মরণে বেনাপোলে আজ উন্মোচিত হচ্ছে স্মৃতি স্তম্ভ

student dade
এমএ রহিম, বেনাপোল॥ বাস চালকের অসাবধানতায় অকালেই ঝরে গেছে প্রস্ফুটিত ৯টি গোলাপ: আছে শুধু তাদের স্মৃতি। সেদিনের দগদগে ক্ষত শুকায়নি আজও। মুজিব নগরে বনভোজন শেষে বাড়িতে ফেরার সময় ২০১৪সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি যশোরের ঝাউডাঙ্গায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯শিক্ষার্থী। সেদিন পুরো বেনাপোলে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহপাঠি শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। সেদিনের স্মুতি আজও তাড়া করে সহপাঠি ও পরিবারের সদস্যদের। দুর্বিসহ স্মৃতি ভুলতে পারেনি কেউ। বেনাপোলবাসী কাঁদছে আজও। নিহতদের স্মরণে আজ ১৫ফেব্রয়ারি বেনাপোল শোক দিবস পালিত হচ্ছে। উন্মোচিত হবে স্মৃতিস্তম্ভ। ¯ু‹লে আসলেই বন্ধুদের স্মৃতি মনে পড়ে, মন বসেনা লেখাপড়ায় বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।
রুনা ও মিথিলা দু’বোন মাকে হারিয়েছে ৩বছর আগেই। বাবা নেই তাদের নানার বাড়ীতে থেকে সাধ করেই৭১স্মৃতিবিজড়িত মুজিব নগরে সহ পাঠিদের সাথে বনভোজনে যায় তারা। নানীকে বলেছিল নানী তোমার ঘট থেকে আমাদের টাকা দাও আমরা ভ্রমনে যাব। এদিন সেজেছিল তারা নতুনসাজে। সেদিন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় মিথিলা আখি, মাসুমা, সুমাইয়া,সাব্বির ঝর্না, শান্ত, একরামুল ও ইয়ানুর। একে একে শিশু শিক্ষার্থীদের নিহতের সেই খবর পৌঁছে বেনাপোলে। মহুুুর্তেই বাঁধভাঙা আহাজারিতে বেনাপোলের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। অশ্রুবন্যায় ভেসে যায় বেনাপোলসহ সমগ্র দেশ। বেনাপোলে ছুটে আসেন প্রাথমিক গনশিক্ষা মন্ত্রী সহ প্রশাসনের কর্মকর্তরা। সেদিনের স্মৃতি আজও তাড়া করে বেনাপোলবাসীকে।
নিহতদের স্মরনে নির্মিত হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ। আজ পৌরসভার আয়োজনে সেখানে পালিত হবে শোকদিবস। বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন বেনাপোলবাসী আজও কাঁদছে ঝরেপড়া শিশুদের জন্য এ অপূরনীয় ক্ষতি ভোলা যাবেনা। আজ সরকার ও পৌরসভার পক্ষে তাদের স্মৃতি রক্ষায় স্মৃতিস্তম্ভ করা হয়েছে।

শেয়ার