সমাজের কথাকে যশোরের চার ক্রিকেট প্রশিক্ষক ॥ বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের কাছে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে সাকিব

azim vhi
আরমান সজল॥
প্রকৃতির ক্ষণে ক্ষণে রং বদলানোর সাথে সাথে ক্রিকেটের বনেদি আসর ঘনিয়ে আসছে। আর পাঁচদিন অতিক্রম করলেই সমগ্র বিশ্ব উপভোগ করবে ক্রিকেটের এ জনপ্রিয় আসরটি। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবসেই শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড-২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আর বাংলাদেশের টাইগাররা ১৮ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা ভেন্যুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের উদ্বোধনী খেলায় নামবে। আসরে প্রতিপক্ষদের কাছে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে তিন ফরমেটেই বিশ্বসেরা সাকিব আল হাসান। অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাস’র মত বিশ্বকাপেও জ্বলে উঠবেন তিনি।
গতকাল সমাজের কথার সাথে এমনটাই মত প্রকাশ করেন যশোর জেলার ক্রিকেটার গড়ার চার কারিগর। তাদের মত ‘বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন বাউন্স উইকেটে খেলা। মাশরাফিদের বাউন্স উইকেটে খেলার তেমন অভিজ্ঞতা নেই। এজন্য সমস্যা হতে পারে।’
এস এস ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক শামসুদ্দিন সাহজী নান্টু বলেন, আমাদের এবারের বিশ্বকাপের দলটিতে বেশ কয়েকজন ট্যালেন্ট ক্রিকেটার রয়েছেন। যারা ইতিবাচক কিছুৃ করে ফেলতে পারে। এছাড়া এবারের আসরে অন্য দলগুলো সাকিবকে ভয়ঙ্কর হিসেবে ভাবছে। তিনি ছাড়াও বাংলাদেশকে জয় এনে দিতে ফিনিশার হিসেবে নাসির ও মাহমুদুল্লা বড় ভূমিকা পালন করবেন। আর বাউন্স উইকেটে পেসার তাসকিন গতির ঝড় তুলে বিশ্ববাসীকে চমক দেখাতে পারেন।
যশোরের দেশ ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক খায়রুজ্জামান বাবু বলেন, বাংলাদেশের গ্রুপে মাত্র দুইটি নরমাল দল বাকি চারটিই এবারের আসরে বেশ শক্তিশালী। দুই ওপেনার তামিম আর এনামুল যদি বড় স্কোর গড়তে পারেন তাহলে বাকি ব্যাটসম্যানরা সাহস পাবে। যেহেতু পিচটা আমাদের এখানকার থেকে অন্যরকম তাই সর্তকতার সাথে ব্যাট করলেই ভাল ফল পাবে টাইগাররা। এই প্রশিক্ষকের মত ‘এদেশের ক্রিকেটাররা ব্যাক ফুটে খেলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এ জায়গায় উন্নতি করতে পারলে বাউন্স উইকেটে ভাল করা সম্ভব।’
ক্লেমন আছিয়া ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক এনামুল হক সুমন বলেন, দূর থেকে আমার মনে হয়েছে মানসিকভাবে শক্তিশালী রয়েছে বাংলাদেশ দল। তাই মাঠে নামার আগেই হেরে বসবে না। তবে আমাদের প্রতিপক্ষরা খেলবে পরিচিত ভেন্যুতে। দর্শকও থাকবে তাদের পক্ষে। তাই টাইগারদের ম্যাচ জেতা কষ্টকর হবে। তবে আশার কথা বাউন্স উইকেট উপযোগী বাংলাদেশের আল-আমিন, তাসকিনরা ফরমে রয়েছেন। কিন্তু এমন বড় আসরে তারা নারভাস হয়ে যেতে পারেন।
যশোর ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক আজিজুল হক আজিম বলেন, প্রতিপক্ষ দলগুলোর অধিকাংশ খেলোয়াড়ের ২০০ থেকে ৩০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেদের এত ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তাই লাল সবুজদের জয়ের সম্ভাবনা কম।

শেয়ার