দিল্লির কুরসি দখলের ভোট শেষ, ফল মঙ্গলবার

kejri
সমাজের কথা ডেস্ক॥

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কুরসিতে বসার ভোটের লড়াই শেষ হয়েছে। কে বসছেন এ কুরসিতে- কিরণ বেদি, নাকি আবারও অরবিন্দ কেজরিওয়াল? এ খবর জানা যাবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার।
দিল্লির কুরসিতে বিজেপির কিরণ বেদি বা আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বসার খবরের চেয়েও পৃথক একটি ইস্যুতে উৎসুক থাকছে ভারতীয় জনগণ। বলা হচ্ছে, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) যে ভোটের লড়াই হয়েছে, সেটি কেবল বিজেপি, আম আদমি কিংবা কংগ্রেসের দিল্লি দখলের লড়াই-ই নয়। বিজেপি দলীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মাপকাঠিও বটে।

অর্থাৎ মঙ্গলবারের ফলাফল যেমন বলে দেবে দিল্লির কুরসিতে কে বসছেন, তেমনি বলে দেবে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসা নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা কতটুকু বেড়েছে বা কমেছে।

সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, যদি দিল্লির লড়াইয়ে কিরণ বেদির নেতৃত্বে বিজেপি জিতে যায়, তাহলে সমর্থকরা ধরে নেবে ভারত পরিচালনায় মোদী যে জনপ্রিয়তা নিয়ে এসেছিলেন, সে জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে। আর যদি লড়াইয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি জিতে যায়, তাহলে মোদীর জনপ্রিয়তায় চিঁড় ধরেছে বলেই প্রচারণা চালাবে আম আদমি ও কংগ্রেসসহ বিরোধীরা।

শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাজ্য বিধানসভার এ নির্বাচনে ১২ হাজার কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত ভোট দেন ১ কোটি ৩৩ লাখ ভোটার।

মোট ৭০ আসনের মধ্যে কোনো দল ৩৬টিতে জিতে গেলে এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে।

ভোটগ্রহণের আগে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপ আম আদমিকেই এগিয়ে রেখেছে। জরিপগুলোর সম্মিলিত ফল বলছে, নির্বাচনে ৩৭ আসন পেতে পারে আম আদমি। আর বিজেপি জিততে পারে ২৯ আসনে। এছাড়া, গত জাতীয় নির্বাচনে নাকানি-চুবানি খাওয়া কংগ্রেস জয়ী হতে পারে মাত্র চারটি আসনে।

সংবাদ মাধ্যমগুলো দিল্লির কুরসি জয়ের এ লড়াইকে মোদীর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মাধ্যম বললেও বিজেপি তা বলছে না। দলটির শীর্ষ নেতা আর্তি মেহরা বলেন, এটি কোনো গণভোট নয়। এর মাধ্যমে মোদীর জনপ্রিয়তা বিচার করা ঠিক হবে না।

শেয়ার