‘আল কায়েদাকে সহায়তা করেছিল সৌদি রাজপরিবার’

osama
সমাজের কথা ডেস্ক॥ আল কায়েদাকে সৌদি রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্য সহায়তা করেছিলেন বলে জঙ্গিগোষ্ঠীটির কারাগারে থাকা এক সাবেক সদস্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দ্য ডন জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে আজীবন কারাদন্ডের শাস্তি পাওয়া জাকারিয়াস মোসাউয়ি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলায় নিহতদের আইনজীবীদের বিষয়টি জানিয়েছেন।
৪৬ বছর বয়সী ফরাসি নাগরিক মোসাউয়ির এই স্বীকারোক্তি মঙ্গলবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে দাখিল করেছেন ওই আইনজীবীরা।
মামলায় আল কায়েদাকে বস্তুগত সহায়তা দেয়ার জন্য সৌদি আরবকে অভিযুক্ত করেছেন তারা।
মোসাউয়ি বলেছেন, “কাকে জানানো হয়েছে আর কারা কারা জিহাদে সহায়তা করে অর্থ দিয়েছেন তাদের একটি তালিকা রাখতে চেয়েছিলেন শেখ ওসামা (ওসামা বিন লাদেন)।”

লাদেনের নির্দেশে ১৯৯০ দশকের শেষ দিক থেকে তিনি এই তালিকা রাখছিলেন বলে জানিয়েছেন মোসাউয়ি।
এদের মধ্যে সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সালসহ কয়েকজন “অতি পরিচিত” সৌদি কর্মকর্তা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
মোসাউয়ি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের কান্দাহারে তিনি সৌদি আরবের ওয়াশিংটন দূতাবাসের এক কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
ওই সৌদি কর্মকর্তার সঙ্গে ওয়াশিংটন গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ানে “স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্য একটি উপযুক্ত” জায়গা বের করার কথা ছিল তার।
বুধবার ওয়াশিংটনের সৌদি দূতাবাস বলেছে, সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মোসাউয়ি এসব অভিযোগ করছেন বলে ধারণা করছেন তারা।
২০০৪ সালে ৯/১১ তদন্ত কমিশনের প্রাপ্ত তথ্য যাতে বলা হয়েছিল, সৌদি আরব আল কায়েদাকে অর্থ যুগিয়েছে এমন কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ তারা পায়নি, তার সঙ্গেও মোসাউয়ির অভিযোগ মেলে না বলে দাবি করেছে সৌদি দূতাবাস।
২০০৬ সালে সাজা পাওয়ার পর থেকে মোসাউয়ি কলোরাডোর ফ্লোরেন্স কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।

শেয়ার