হর্ন বাজিয়ে সহিংসতার প্রতিবাদ পরিবহন শ্রমিকদের

S M
সমাজের কথা ডেস্ক॥ সচিবালয়ের সামনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের পাশ ঘেঁষে আব্দুল গনি রোডে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা অনেকগুলো গাড়ি। দুপুর একটার কিছু আগে সচিবালয়ের সামনে বের হয়ে এলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা।
দুপুর একটার সময় মন্ত্রীদের মুখে বেজে উঠলো বাঁশি। বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই এক যোগে হর্ন বাজানো শুরু করলো সারিবদ্ধ গাড়িগুলো। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও জোরে জোরে বাঁশি ফুকতে থাকলেন। এমনটা চললো পুরো এক মিনিট।
অভিনব এই কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। বাঁশি আর গাড়ির হর্ন বাজানো শেষ হলো, এরপর সবাই নীরব। এই নীরবতায় কেটে গেলো ১৫ মিনিট।
অবরোধ-হরতালের নামে সহিংসতা চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে রেল, সড়ক ও নৌ-পথে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহনে এক মিনিট হর্ন বাজিয়ে প্রতিবাদ জানানোর কর্মসূচি দেশের অন্যান্য অংশের মত এভাবেই পালিত হলো সচিবালয়ের সামনে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর একটায় শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের ডাকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও সংহতি জানাতে দুপুর একটার কয়েক মিনিট আগে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান সচিবালয় থেকে বের হয়ে ওসমানী মিলনায়তনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। এ সময় তাকে ঘিরে একটি সমাবেশের সৃষ্টি হয়। তার সঙ্গে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এবং মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দ।এ সময় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা চলমান সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন। জনগণের অংশগ্রহণে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তারা।এর আগে দুপুর পৌনে ১টা থেকে ১টা পর্যন্ত পেশাজীবীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ দেখানোর কর্মসূচি পালিত হয়।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনের আহ্বায়ক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ভবন অডিটোরিয়ামে সমন্বয় পরিষদের জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে ঘোষণা করা হবে সমন্বয় পরিষদের গণআন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি।

শেয়ার