ডায়রিয়ায় আক্রান্ত আরও ৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি॥ রোগীদের কলেরা স্যালাইন, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানি দিলেন শাহীন চাকলাদার

shahin
এস হাসমী সাজু॥
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বেড়েই চলেছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী। গতকাল সর্বশেষ ভর্তি হয়েছে ৪৩ জন। এদিকে, কলেরা স্যালাইন সঙ্কটের খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিনামূল্যে প্রদান করেন এবং রোগীদের খোঁজ খবর নেন। এ সময় তিনি ওষুধ, স্যালাইনসহ যে কোন সঙ্কট সমাধানে এগিয়ে আশার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
হাসপাতাল সূত্র মতে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এনিয়ে বর্তমানে ৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। প্রতিদিন রোগী আসায় সেবা দিতে যেয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরতরা। ফলে যশোর সিভিল সার্জন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৃথক দুইটি মেডিকেল টিম গঠন করেছে। তারা ওয়ার্ডে নিয়মিত কর্তব্যরতদের সহযোগিতা করছেন। এই মেডিকেল টিম ঠিকমত কাজ করছেন কি না তা তদারকি করতে বুধবার সকালে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন। অপরদিকে ওষুধ সঙ্কটের খবর পেয়ে কলেরা স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য ওষুধ নিয়ে দুপুরে হাসপাতালে ছুটে যান যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। তিনি এ সময় ১২ কার্টুন কলেরা স্যালাইন, ১২ কেস বিশুদ্ধ পানি, ২শ’ পিচ ত্র্যানস্টে ইনজেকশন ও নরমাল স্যালাইন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ সাহার হাতে তুলে দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডাঃ আতিকুর রহমান খান, যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী লেকচারার ডাঃ আবু সৈয়দ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শামছুল ইসলাম দদুল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী রায়হান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম খয়রাত হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, কৃষি সম্পাদক এ্যাড. মোশারফ হোসেন, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আসিফ-উদ-দ্দৌলা সরদার অলোক, শহর শাখার যুগ্ম সম্পাদক হাসান ঈমাম লাল, সদর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুজিবর রহমান, আ’লীগ নেতা আজিজুল আলম মিন্টু, কৃষকলীগ নেতা শেখ আব্দুল মতলেব বাবু, ইউনুস আলী, কাজী দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন পলাশ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, সহ-সভাপতি নিয়ামতউল্লাহ প্রমুখ। এ সময় তারা রোগীদের চিকিৎসা ও সমস্যার কথা জানতে চান।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ সাহা বলেন, রোগীদের কলেরা স্যালাইন ও ইনজেকশন নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। এ বিষয়ে সকালে খুলনা পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে কোন সমাধানের ব্যবস্থা হয়নি। যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের এর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে যেমন স্বস্তিতে; তেমনি রোগীরাও খুবই উপকৃত হবে।

শেয়ার