পাইলট হত্যার প্রতিশোধ, দুই জঙ্গিকে ফাঁসি দিলো জর্দান

Hang
সমাজের কথা ডেস্ক॥

আইএস (ইসলামিক স্টেট) এর হাতে বন্দি জর্দানি পাইলটকে পুড়িয়ে মারার প্রতিশোধ হিসেবে কারাগারে বন্দি দুই জঙ্গির মৃত্যুদ- কার্যকর করলো জর্দান।

মঙ্গলবার জর্দানি বিমান বাহিনীর পাইলট মোয়াজ আল কাসাসবেহকে পুড়িয়ে হত্যার ভিডিও প্রকাশ করে আইএস। এর প্রতিশোধ হিসেবে নারী আত্মঘাতী জঙ্গি সাজিদা আল রিশাই এবং ইরাকের আল কায়েদা সদস্য জিয়াদ আল কারবোলির মৃত্যুদ- কার্যকর করে জর্দান।

২০০৫ সালে আম্মানে সংঘটিত ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় জড়িত ছিলেন নারী জঙ্গি রিশাই। অপরদিকে ইরাকে এক জর্দানি নাগরিককে হত্যা এবং সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার ব্যাপারে ২০০৭ সালে মৃত্যুদ-ে দ-িত হন কারবোলি। নিহত পাইলট কাসাসবেহ ও তাদের হাতে বন্দি জাপানি জিম্মির বদলে রিশাইয়ের হস্তান্তর চেয়েছিলো আইএস।

স্থানীয় সময় বুধবার ভোর চারটার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দুই জঙ্গির মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন জর্দানের সরকারি মুখপাত্র মোহাম্মদ আল মোমানি। রাজধানী আম্মানের দক্ষিণে অবস্থিত সোওকা কারাগারে এই মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে আইএস বিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় নিজের এফ-১৬ জঙ্গি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে আইএস জঙ্গিদের হাতে ধরা পড়েন মোয়াজ কাসাসবেহ।

কাসাসবেহ ছিলেন জর্দানি বিমানবাহিনীর এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের পাইলট। আইএস বিরোধী লড়াইয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অপর চারটি দেশের সঙ্গে সিরিয়া ও ইরাকে বিমান হামলায় অংশ নেয় জর্দানও।

জর্দানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে পাইলটকে ৩ জানুয়ারির আগেই হত্যা করা হয়েছে। এর আগে দুই মার্কিন সাংবাদিক, একজন মার্কিন সহায়তা কর্মী এবং দুই ব্রিটিশ সহায়তা কর্মীকে হত্যার ভিডিও প্রকাশ করে আইএস জঙ্গিরা।

কাসাসবেহকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন জর্দানের বাদশাহ আব্দুল¬াহ দ্বিতীয়। ওয়াশিংটন সফরে থাকা বাদশাহ এ ঘটনার প্রতিশোধ গ্রহণের পাশাপাশি আইএস এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ারও অঙ্গীকার করেছেন।

শেয়ার