আল বিদা মাহে রমজান

albida maheromadan
সমাজের কথা ডেস্ক॥ রোববার ২৭ জুলাই, ২৮ রমজান। এখন মুমিন হৃদয়ে ধ্বনিত হচ্ছে রমজানের বিদায়ের সুর। এই ক্ষণে আল্লাহ্কে স্মরণ করি আরও বেশি বেশি। আর তার নিয়ামত রাজির শুকরিয়া আদায় করি। অবশ্যই আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিটি নেয়ামতে মুসলমানদের আনন্দিত হওয়া উচিত। রমজান মাস আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামতের মাঝে শীর্ষ পর্যায়ের একটি নেয়ামত। তাই এ রমজান প্রপ্তির কারণে তাদের খুশি হওয়া উচিত। আরও খুশি হওয়া উচিত, কারণ তারা রমজানের বদৌলতে নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, সদকাসহ অন্যান্য ইবাদত করার সহজ সুযোগ পেয়েছে। এ খুশির পাশাপাশি আল্লাহর কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করা উচিত।
আল্লাহ তাআলা বলেন, বলো, আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতে। সুতরাং এ নিয়েই যেন তারা খুশি হয়। এটি যা তারা জমা করে তা থেকে উত্তম। [সূরা ইউনুস : ৫৮]
প্রিয় পাঠক, রমজান মাস যদিও শেষ হয়ে গেছে, মুমিন ব্যক্তির আমল কিন্তু মৃত্যুর আগে শেষ হবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন, আর ইয়াকিন (মৃত্যু) আসা পর্যন্ত তুমি তোমার রবের ইবাদত কর।
নবী (সা.) ইরশাদ করেন, মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। তাই মুমিন ব্যক্তি সময় থাকতেই আমল-ইবাদত অব্যহত রাখে।
সুতরাং রমজান মাস শেষ হয়ে গেলেও প্রকৃত মুমিন ব্যক্তির রোজার ইবাদাত কিন্তু শেষ হবে না। এটি সারা বছর চলতে থাকবে। যেমন-শাওয়াল মাসের ছয় রোজা।
আবু আইউব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা রাখল অতপর শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখল, সে যেন সারা জীবনই রোজা রাখল। (মুসলিম)
প্রতি মাসে তিন দিনের রোজা : এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজান মাস পর্যন্ত প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোজা রাখা সারা জীবন রোজা রাখার ন্যায়। (মুসলিম)
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমার বন্ধু মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোজা রাখার উপদেশ দিয়েছেন।
এ তিন দিনের রোজা আইয়ামে বীযে রাখা উত্তম। আইয়ামে বীয হলো, প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। (মুসলিম)

শেয়ার