কলারোয়া সরকারি খাদ্য গুদাম ॥ ২৯ মে. টন চাল পাচারের সময় জনতার হাতে ধরা॥ ডিসি’র নির্দেশে তদন্ত শুরু

Kalaroa
সাতক্ষীরা (কলারোয়া) প্রতিনিধি॥ সাতক্ষীরার কলারোয়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে ২৯ মে: টন চাল পাঁচারের সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েছে। শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে গুদাম কর্মকর্তা (ওসি,এলএসডি) আলিনুর রহমান এই চাল পাচার করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। খাদ্য কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুব কুমার তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, সম্প্রতি ভিজিএফ চাল বিতরণের সময় বেশকিছু খাওয়ার অযোগ্য চাল বের হয়। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ওই নষ্ট চাল খাদ্য গুদামে সীলগালা করে রাখা হয়। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে প্রশাসনকে না জানিয়ে গুদামের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ওসি,এলএসডি তা সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তা আটকে রেখে প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে তার (উপজেলা নির্বাহী অফিসারের) নির্দেশে ওই চাল উদ্ধার করে সীলগালা করে রাখা হয়েছে। কি কারনে প্রশাসনকে না বলে ওই চাল খাদ্য গুদার থেকে সরানো হচ্ছিল তা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে কলারোয়া খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা অভিযুক্ত আলিনুর রহমান জানান, জেলা খাদ্য কর্মকর্তার নির্দেশে গুদাম থেকে ওই চাল সরিয়ে পাটকেলঘাটা খাদ্য গুদামে নেয়া হচ্ছিল। তবে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা শাহাজান ভুঁইয়া জানান, চাল সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমার নির্দেশে চাল সরিয়ে নেয়া হচ্ছিল, কথাটি সঠিক নয়। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান জানান, নষ্ট চাল সরিয়ে নিতে হলে জেলা প্রশাসনকে জানাতে হবে। কিন্তু তার কোন কিছু না করে চাল সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শেয়ার