মণিরামপুরে মা-মেয়েকে ধর্ষণ ও ডাকাতি মামলায় ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট

Dhorshon
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মণিরামপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ হোসেন। তবে ওই মামলায় সোহাগ নামের এক পলাতক আসামির পরিচয় না পাওয়ায় তাকে অব্যহতির সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার আদালতে তিনি এ চার্জশিট দাখিল করেন।
চার্জশিটে অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, মণিরামপুর উপজেলার পাড়দিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আকবর আলী (২৮), শোলাকুড় গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে আবুল কাশেম ওরফে কিনু (৪৮), হালসা গ্রামের চান্দালীর ছেলে ই¯্রাফিল (২৭), যশোর পুলেরহাট কৃষ্ণবাটি গ্রামের আব্দুস সাত্তারের বাড়ির ভাড়াটিয়া রহিম বক্সের ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে বাবু(২৬), যশোর সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে আব্দুস সালাম ওরফে বিষু (৩৯), শার্শা উপজেলার পাঁচ কয়রা গ্রামের আবুল কাশেম মোড়লের ছেলে আজিজুর মোড়ল (৩৯) ও বেনাপোল পোর্ট থানার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত ফজের আলীর ছেলে মনু ওরফে মনু ডাকাত (৫০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর ১০/১২ জনের একদল ডাকাত মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের একটি বাড়িতে হানা দেয়। রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে ওই বাড়ির লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে বাইরে বের হলে ডাকাত দলের সদস্যরা তাদের উপর হামলা করে এবং বাড়ি মালিক, তার স্ত্রী ও মেয়েকে অস্ত্রের মুখে হাত-পা বেঁধে একটি ঘরে আটকে রাখে। এরপর ঘরে রক্ষিত নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনসহ ৫৭ হাজার টাকা মূল্যের জিনিষপত্র লুট করে। এরপর ডাকাতদলের চার সদস্য মিলে গৃহকর্তার এক মেয়েকে একটি ঘরে নিয়ে যেয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ও গৃহকর্তার স্ত্রীকে বাড়ির উঠানে রাখা একটি খাটের উপর নিয়ে ডাকাত দলের অন্য চার সদস্য পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মণিরামপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মণিরামপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ হোসেন জানান, মামলার আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডাকাতিকৃত মালামালও উদ্ধার করা হয়। এর ভিত্তিতেই চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

শেয়ার