আল বিদা মাহে রমজান

albida maheromadan
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ২৪ রমজান, বুধবার। আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে ঈদুল ফিতর। ঈদ উৎসবে যাতে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারে, এ জন্য ফরজ করে দেওয়া হয়েছে যাকাতুল ফিতরকে। যাকাতুল ফিতর অর্থ- পবিত্রকরণ, দানশীলতা, যেটি রোজা ভেঙে ফেলার জন্য দেওয়া হয় এবং এই দান এমন একটি পরিমাণ, যা দরিদ্র মুসলিমদের খাদ্য হিসেবে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আবু দাউদে উদ্ধৃত একটি হাদিস রয়েছে যেখানে বলা হচ্ছে, মুহম্মদ (সা.) প্রত্যেক মুসলমানের ওপর যাকাত ফরজ করেছেন। অপরদিকে ইবন ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, গোলাম, স্বাধীন, পুরুষ, নারী, ছোট, বড় সকল মুসলিমের ওপর রসূল (সা.) এক ‘সা’ তামার (খেজুর), অথবা এক ‘সা’ গম যাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এবং সালাতের পূর্বে তা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুখারির অপর বর্ণনায় আছে, নাফে (র.) বলেছেন, ইবন ওমর ছোট-বড় সবার পক্ষ থেকে তা আদায় করতেন, তিনি আমার সন্তানদের পক্ষ থেকে পর্যন্ত আদায় করতেন। যারা তা গ্রহণ করত, ইবন ওমর তাদের তা প্রদান করতেন, তিনি ঈদুল ফিতরের একদিন অথবা দুদিন আগে তা আদায় করতেন। আবু সায়িদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যাকাতুল ফিতর আদায় করতাম এক ‘সা’ বার্লি অথবা এক ‘সা’ গম অথবা এক ‘সা’ খেজুর অথবা এক ‘সা’ পনির অথবা এক ‘সা’ কিসমিস দ্বারা।
ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রোজাদারকে অশ্লীলতা থেকে পবিত্র করা ও মিসকিনদের খাদ্যের ব্যবস্থাস্বরূপ রসূল (সা.) যাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন। সালাতের পূর্বে যে আদায় করল, তা গ্রহণযোগ্য যাকাত, যে তা সালাতের পর আদায় করল, তা সাধারণ সদকা। কায়স ইবন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাকাত ফরজ হওয়ার পূর্বে আমাদের রসূল (সা.) সদকাতুল ফিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। যখন যাকাত ফরজ হলো, তিনি আমাদের নির্দেশ দেননি, নিষেধও করেননি, তবে আমরা তা আদায় করতাম।

শেয়ার