যৌনাসক্তরা ডেঞ্জারাস!

revenge porn

সমাজের কথা ডেস্ক॥ যারা মাদকাসক্ত, তারা পারেন না এমন কাজ নেই। মাদক কেনার টাকার জন্য তারা নিজের মা-বাবা-ভাই-বোনকেও খুন করতে দ্বিধা করেন না।
ঠিক তেমনি যারা যৌনাসক্ত, তারা যৌনতার জন্য আত্মীয়-স্বজন যে কারো ওপর হামলে পড়তে পারে। সেটা সরাসরি না হলেও মনের খায়েশ তাদের এমনটাই। যারা যৌনাসক্ত তারা যাকে টার্গেট করে তার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে মিলিত হতে চায়। এ জন্য যে কোনো ধরণের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে তারা প্রস্তুত থাকে।

আর সে অপকর্মের জন্য তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা থাকে না। আর যারা নিয়মিত নীল ছবির নেশায় আক্রান্ত, তারাও যে কোনোভাবে তা দেখতে ছটফট করেন প্রতিদিন।
সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনই তথ্যই পাওয়া গেছে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ১৯ জন মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করছেন, যারা নিয়মিত নীল ছবি দেখেন। এদের মধ্যে দুজন ছিলেন, যারা অফিসে বসে নীল ছবি দেখার দায়ে চাকরি হারিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, পর্নো ছবি দেখা সময় মস্তিষ্কের সেই অংশই সক্রিয় হয় যা মাদকাসক্ত ব্যক্তির পছন্দের মাদক দেখলে হয়। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর বেলেরি বুন জানিয়েছেন, এটি এই বিষয়ের প্রথম গবেষণা। ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এটা এখনও বলা সম্ভব নয় যে, একে যৌনতার নেশা বলা যায় কিনা।
অ্যাসোসিয়েশন ফর ট্রিটমেন্ট অফ সেক্স অ্যাডিকশন অ্যান্ড কম্পলসিভিটির পলা হাল জানিয়েছেন, ‘ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন ২৪ ঘণ্টাই সেক্সের সামগ্রী পাওয়া যায়। এমন যুবকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, যারা পর্নো সামগ্রীর কিনতে নিজের উপার্জন খরচ করে ফেলছে।

তবে প্রাথমিক ফলাফলে গবেষকরা এই মত দিয়েছেন, যৌনাসক্তরা মাদকাসক্তদের মতোই ডেঞ্জারাস। আপনার আশপাশে যদি এম আসক্ত কেউ থেকে থাকেন তারে থেকে সাবধানে থাকাই ভালো। অথবা তাকে মনোচিকিৎসকের কাছে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

শুধু যে ছেলেরাই যৌনাসক্ত হতে পারে তা কিন্তু নয়, এক্ষেত্রে মেয়েরাও সমান তালে এগিয়ে আছে। তবে বিভিন্ন কারণে মেয়েদের এ আসক্তি প্রকাশ পায় না।

শেয়ার