‘যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো গুরুতর’

us

সমাজের কথা ডেস্ক॥ জার্মানির এক গোয়েন্দা যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ হয়েও কাজ করেছেন, সম্প্রতি উদঘাটিত এ বিষয়টি নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে গুরুতর বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল।
চীন সফররত মের্কেল সোমবার দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন।
মের্কেল বলেছেন, মিত্রদের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক যেমন হওয়া উচিত এ বিষয়টি তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, বরং তার পরিষ্কার বরখেলাপ।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জার্মান পররাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডি’র ৩১ বছর বয়সী এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করে জার্মান কর্তৃপক্ষ।
বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পাওয়া খবরে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ওই জার্মান গোয়েন্দাকর্মী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিভিন্ন জার্মান নথি পাচার করতো।
ওই গ্রেপ্তারের বিষয় চ্যান্সেলর মের্কেলকে জানানো হয়েছে এবং “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর” বলে গ্রেপ্তারের পরপরই মন্তব্য করেছিলেন চ্যান্সেলরের মুখপাত্র স্টেফান শুবার্ট। এবার স্বয়ং মের্কেল “অভিযোগগুলো গুরুতর” বলে মন্তব্য করলেন। শনিবার বিষয়টি নিয়ে বার্লিনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দপ্তর হোয়াইট হাউস বা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দপ্তর দুটি।
বিবিসি’র বার্লিন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মিত্র দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাগিরির নতুন অভিযোগ ওঠায় যুক্তরাষ্ট্র-জার্মানি মিত্রতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষ করে ইউক্রেইনে রুশ তৎপরতা ও ইরানের নিউক্লিয়ার উচ্চাশা নিয়ন্ত্রণে মার্কিন অভিপ্রায় বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

শেয়ার