ভয় কাটছে না ফরমালিনের!

formalin
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বাজারে ব্যাপক পরিমাণে মৌসুমী ফল উঠলেও ফরমালিনমুক্ত কিনা তার নিশ্চয়তা না পাওয়ায় ক্রেতারা ফল কিনতে ভয় পাচ্ছেন। সে কারণে কম দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ফল। বিশেষ করে আমের ওপর যেন এর প্রভাব পড়েছে অনেকটাই।

তবে রমজান শুরু হওয়ার পর থেকে ফলের বিক্রি কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ফল বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার থেকে তারা যে সব ফল কিনছেন, তা ফরমালিনমুক্ত কিনা এ নিয়ে তারা নিশ্চিত নন। তারপরেও ফলের দাম কমছে না।

সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর বাদামতলী, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর ও টাউনহলের ফলের বাজার ছাড়াও ছোট ছোট বাজারের দোকানে, বাস ও রেল স্টেশনের আশপাশ, বিভিন্ন সড়কের মোড়, বিভিন্ন পাড়ার প্রবেশ পথ ও ফুটপাতে মৌসুমী ফলের পসরা বসিয়েছেন অনেক ফল বিক্রেতা।

এ সব ফলের মধ্যে রয়েছে- আম, জাম, আনারস, কাঁঠাল, নাশপাতি, আমড়া, শরিফা, লটকন, বাঙ্গি, কামরাঙা, পেঁপে, বেদানা, অরবরই, করমচা, আমলকি, সাগরকলা ইত্যাদি। এছাড়া খেঁজুর, আপেল, মালটা, আনার, নাশপাতি, আঙুরসহ বিভিন্ন বিদেশি ফল।

বাজার ঘুরে জানা যায়, প্রতি কিলোগ্রাম আমের দাম ৬৫ থেকে ৯০ টাকা, জাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা, পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আনারস ৪টি ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁঠালের দামও নাগালের মধ্যে রয়েছে।

এছাড়া খেঁজুর প্রতি কিলোগ্রাম ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা, আপেল ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, মালটা ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগ রেললাইনের পাশে খোলা জায়গায় ভাসমান দোকান বসিয়ে ফল বিক্রি করছেন কিশোরগঞ্জের জালাল উদ্দিন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, আমি অনেকদিন ধরে মৌসুমী ফলসহ বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি করি। এবার ফল সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ফরমালিন আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্রেতারা মনে করছেন, সব ফলেই ফরমালিন রয়েছে। সে কারণে ফল বিক্রি হচ্ছে না।

তার নিজের দোকানের ফল ফরমালিনমুক্ত দাবি করে তিনি বলেন, এরপরও অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার মৌসুমী ফলের দাম অনেক কম।

শেয়ার