কয়রা প্রদীপন সিঁড়ি প্রকল্পে সেবার নামে চলছে সংস্থার কয়েক কর্তার বাণিজ্য !

durniti
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি॥ কয়রা উপজেলা প্রদীপন অফিসের সিঁড়ি প্রকল্পের ম্যানেজার ও এফএফ রোজিনার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নং কয়রা এলাকাবাসীর পক্ষে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগে জানা যায় গত ২ জুন কয়রা প্রদীপন অফিসের ম্যানেজার প্রতাপ সেন ও এফ,এফ, রোজিনা খাতুন সিঁড়ি প্রকল্পের নামে এলাকার অসহায় মানুষের সাহায্যের নামে অল্প টাকায় কয়রা বাজার থেকে নি¤œমানের মালামাল কিনে উপকারভোগীদের ভাগ্য পরিবর্তনের নামে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। যেকারণে সিঁড়ি প্রকল্পের উপকারভোগীদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য কয়রা উপজেলার প্রদীপন অফিসে বিভিন্ন ত্রান সহায়তার নামে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে আইলা দূর্গত মানুষের সেবার নামে চলছে অর্থ বাণিজ্য দেখার কেউ না থাকায় গোজামিল দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে এ সংস্থার কয়েকজন কর্তা ব্যক্তি। নির্ধারিত কয়েকজন সংবাদকর্মীকে কিছু বখরা দিয়ে পত্রিকায় নিউজ করে রেকর্ড সংরক্ষণ করা হচ্ছে এদের আসল উদ্দেশ্য। সরোজমিন ও লিখিত অভিযোগে রাফেজা খাতুন খানা নং-২২৩৭৬ কে তার অর্থের পরিমান ৯,৯৭৫, রহিমা খাতুন খানা নং-২২৩৯৬ তার অর্থের পরিমান ৯,৯৬৩, রাবেয়া খানা নং- ২২৩৭১ তার অর্থের পরিমান ৭,৯৭৬, খাদিজা খানা নং- ২২৩৭৭ অর্থ ৮,০০২, রেবেকা খানা নং-২২৩৮৩ টাকার পরিমান ১১,৯৯৫। এছাড়া শতাধিক আইলা গ্রস্থ অসহায় ব্যক্তির সাহায্যার্থে বাজারের দোকানদারদের সাথে চুক্তি করে ছিট-কাপড়, মুদী মালামাল ও মাছের পোনা সহ বিভিন্ন মালামাল বিতরণ করা হয়েছে যা একেবারেই অকেজো। সাহায্যার্থীরা মালামাল নিতে না চাওয়ায় তাদেরকে ধমক দিয়ে জোর করে দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। যাদেরকে টাকা দেওয়া হয়েছে তাদের প্রতিজনের নিকট থেকে এক হাজার করে কেটে নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা প্রকল্প ম্যানেজার, সেভ দ্যা চিলড্রেন রফিকুল ইসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া স্থানীয় সাংসদ উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সংশ্লিষ্ট ইউ,পি চেয়ারম্যান ও প্রেসক্লাব সভাপতি বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেছেন। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি সরোজমিন তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার