ধূমপান ছাড়তে ই-সিগারেট!

e cigarette
সমাজের কথা ডেস্ক॥
ধূমপান ছাড়তে অন্যান্য উপকরণের চেয়ে ইলেক্ট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট ৬০ ভাগ বেশি সহায়ক বলে গবেষকরা দাবি করেছেন।

সম্প্রতি জার্নাল অ্যাডিকশনে এক গবেষণায় উঠে আসা এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

কোনো ধরনের উপকরণ বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই সিগারেট ছাড়তে চান ইংল্যান্ডের এমন ৫ হাজার ৮৬৩ জন ধূমপায়ীর ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা।

এদের মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাংশ জানিয়েছেন ই-সিগারেট ব্যবহার করে তারা সত্যিকারের সিগারেট ছাড়তে পেরেছেন।

গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফল থেকে গবেষকরা বলছেন, ই-সিগারেট ধূমপায়ীর সংখ্যা কমিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

গবেষণা সহযোগী লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. জেমি ব্রাউন বলেন, ই-সিগারেট কতোটা সফল হচ্ছে তা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। কেবল ধূমপান ছাড়তে নয়, ক্যান্সার প্রতিরোধেও ই-সিগারেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গবেষক দলের প্রধান লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট ওয়েস্ট বলেন, ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন হলেও ই-সিগারেট ব্যবহার করায় ইতোমধ্যে ইংল্যান্ডে ধূমপানের হার কমতে শুরু করেছে।

ইলেক্ট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেট ব্যাটারিচালিত এক ধরনের যন্ত্র যা থেকে ধোঁয়া নির্গত হয়। ১৯৬৩ সালে এর আকৃতি পরিকল্পনা করা হয়। ই-সিগারেট এমন একটি যন্ত্র যা নিকোটিন এবং সুগন্ধির সমন্বয়ে তৈরি। তবে নিকোটিন ছাড়া কেবল সুগন্ধি রয়েছে এমন ই-সিগারেটও পাওয়া যায়।

চকলেট, স্ট্রবেরি ভিন্ন স্বাদের ই-সিগারেট ইতিমধ্যেই যুবকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ভিন্ন গবেষণায় দেখে গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১১ সালের তুলনায় ২০১২ সালে ই-সিগারেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি কমেছে। ২০১১ সালের যেখানে ৩.১ ভাগ ধূমপায়ী ই-সিগারেট ব্যবহার করতেন সেখানে ২০১২ সালে ৬.৫ ভাগ ধূমপায়ী নিয়মিত ই-সিগারেট ব্যবহার করছেন।

শেয়ার