বাংলাদেশি ঠেকাতে নতুন দপ্তর চান মোদি

Modi1
সমাজের কথা ডেস্ক॥ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নতুন দপ্তর চালু করতে বলেছেন ভারতের হবু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এজন্য স্বরাষ্ট্র সচিব অনীল গোস্বামীকে ‘দ্রুততম সময়ের’ মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষ দপ্তর চালু করতে বলেছেন তিনি।
মোদি নিজেই টেলিফোনে সচিবকে এ কথা বলেছেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন দপ্তরের বিস্তারিত ঠিক করতে বিজেপির এমপি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব আর কে সিংকে দায়িত্বও দেয়া হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর বিজেপিতে যোগ দেন এই আমলা। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে অবৈধ অন্প্রুবেশ নিয়ে কঠোর অবস্থান জানান দেন নরেন্দ্র মোদি। ক্ষমতায় গেলে বিশেষ করে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ ভারত ছাড়া করার কথাও বলেছিলেন হিন্দুত্ববাদী এই নেতা।
তবে বিজেপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, মোদির এই পদক্ষেপে ঢাকা ও ইসলামাবাদের ‘বিচলিত’ হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা সম্পূর্ণরূপে ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা’ জোরদারের একটি প্রস্তাব।
“অবৈধ অভিবাসীদের ঠেকানোর অধিকার রয়েছে আমাদের, যারা এখানে এসে আমাদের কাজের সুযোগ নিয়ে নিচ্ছে। আজমল কাসাবের মতো সন্ত্রাসীদের দেশে ঢুকতে না দেয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে। মোদি মনে করেন, ভারতেরও যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা থাকা দরকার যাতে সন্ত্রাসী তৎপরতা এবং আসামে সংঘটিত অভিবাসীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো যায়,” বলেছেন ওই প্রস্তাব সম্পর্কে অবগত বিজেপির শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা।
তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত না হওয়ায় নাম প্রকাশে অনীহা জানান তিনি।
তিনি বলেন, আর কে সিং অবৈধ অভিবাসী নিয়ে মাধব গোড়বলের প্রতিবেদন বের করেছেন এবং এটাকে ভিত্তি করেই নতুন দপ্তরের যাত্রা শুরু হতে পারে।
একজন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে এই দপ্তর পরিচালিত হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং অবৈধভাবে দেশে ঢুকে পড়া ব্যক্তিদের সনাক্ত করতে রাজ্য পুলিশের মোবাইল টাস্ক ফোর্সের সঙ্গে এই দপ্তরের যোগাযোগ থাকবে।

শেয়ার