সেরা ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষে পুুলিশ লাইন ॥ যশোর শিক্ষা বোর্ডের মডেল স্কুল ফলাফলে মডেল হতে পারছে না

jessore shikkha board model school
তবিবর রহমান ॥
যশোর শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এসএসসি ফলাফলে এবারও মডেল হতে পারেনি। শিক্ষায় মডেল হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এ স্কুলটি গত বছর জেলায় সপ্তম স্থান হলেও এবার জেলার সেরা ১০ এর তালিকায় নাম লেখাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, অবকাঠামো ও প্রাচুর্যের মডেলে মোড়ানো এ প্রতিষ্ঠান গ্রামের টিন শেডের অনেক স্কুলের রেজাল্টকে ছুতে পারেনি। এ স্কুল থেকে ৬৫ জন পরীক্ষা দিলেও সবাই পাস করলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। যেখানে যশোর পুলিশ লাইন স্কুল থেকে ৮৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকলেই কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ জন। আর এ ফলাফলের কারণে পুলিশ লাইন জেলার সেরা ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষের মুকুট পরেছে। অপরদিকে অজপাড়াগায়ে অবস্থিত মনিরামপুরের রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৬১ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল থেকে অনেক সুবিধা বঞ্চিত এ বিদ্যালয়টি জেলার অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। তবে মডেল স্কুলের শিক্ষক তৌহিদুর রহমান রেজাল্ট ভাল হয়েছে দাবি করে বলেন, তাদের স্কুলে পরীক্ষার্থী কম থাকায় তারা শীর্ষ তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছেন। বিষয়টি শুনে অবাক হয়ে শিক্ষা বোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সৈয়দ রকিবুল ইসলাম বলেন, রেজাল্টের উপর শীর্ষ তালিকা তৈরি করা হয়। বোর্ডের মডেল স্কুল থেকে তিনভাগের একভাগ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানটি জেলা শীর্ষে স্থান পায়নি। অপরদিকে জেলায় এবার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে ঐতিহ্যবাহী যশোর জিলা স্কুল। এ স্কুল থেকে ২২৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। এখান থেকে ২৩৩ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছে। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৪ জন। জেলায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ঝিকরগাছার শেখ আকিজ উদ্দিন হাইস্কুল। বিদ্যালয়টি থেকে ১৫৯ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই সফলতা পেয়েছে। এদের মধ্যে ১১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে দাউদ পাবলিক স্কুল। এখান থেকে ৯৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ৯৩ জন পাস করেছে। এরমধ্যে ৬১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ঝিকরগাছার এমএল হাই স্কুল ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এ স্কুল থেকে ১৩৪ জনের মধ্যে ১৩৩ জন পাস করেছে । এরমধ্যে ৬৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সপ্তম স্থানে থাকা ঝিকরগাছার বিএম স্কুল থেকে ১৭৫ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করেছে। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ জন। আর জেলায় নবম স্থান করা বিএফ শাহীন কলেজ থেকে ১৫৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ১৫৫ জন। এরমধ্যে ৬০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অভয়নগরের নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯১ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৮৯ জন কৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

শেয়ার