ভারতে পাঠাতেই বাংলাদেশে সোনা আসে

gold bar
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ভারতে পাচারের জন্যই বাংলাদেশে স্বর্ণ আসে। দেশের অভ্যন্তরের যে চাহিদা তা মেটাতে স্বর্ণ পাচারের প্রয়োজন হয় না। সূত্র বলছে, প্রতিবেশি দেশে চাহিদা থাকায় এক ধরনের অসাধু চক্র দেশে অবৈধ পথে স্বর্ণ এনে তা ভারতে পাচার করে দিচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত ভারতীয় পাচারকারীরাও। কাস্টমস কর্মকর্তাদের মতে, দেশের বিমানবন্দরে যে পরিমাণ সোনা আটক করা হচ্ছে তার চাহিদা বাংলাদেশে নেই। একই মত বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) ব্যবসায়ীদেরও। বিমানবন্দর কাস্টমসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে বিমানবন্দর থেকে ১২ কেজি, ২০১০ সালে ৯ কেজি, ২০১১ সালে ৪ কেজি, ২০১২ সালে ২৪ কেজি, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মে পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৮০০ কেজি স্বর্ণ আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩-১৪ সালে বাংলাদেশে আটককৃত ১২৪ কেজি, ১০৭ কেজি এবং ১০৫ কেজির স্বর্ণের তিনটি বড় চালান ছিলো। এই চালানগুলো ভারতে পাচার করার জন্যই আনা হয় বলে তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে, এমন কথা বাংলানিউজকে বলেছে বিমানবন্দরের একাধিক দায়িত্বশীল সুত্র। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি দিলীপ রায় বাংলানিউজকে বলেন, রিসাইকেলিং করে পাওয়া সোনা আর বিদেশে থেকে যাত্রীদের অবৈধভাবে আনা সোনাই দেশে জুয়েলারি ব্যবসার মূল উৎস। এর বাইরে ব্যবসায়ীরা কোনো স্বর্ণ আমদানি করেন না। সাম্প্রতিক আটককৃত স্বর্ণ ভারতের জন্য। এতো স্বর্ণের চাহিদা বাংলাদেশে নেই- জোর দিয়ে বলেন এই স্বর্ণ ব্যবসায়ী নেতা। এ বক্তব্যে একমত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনও। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে গোলাম হোসেন বলেন, ভারতে স্বর্ণ আমদানির ওপর বিধি-নিষেধ জারি করায় একটি গ্রুপ ভারতে স্বর্ণ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করছে।

শেয়ার