যশোর জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ লাইন স্কুলে আনন্দের বন্যা

polis
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে যশোর জেলায় প্রথম ও বোর্ডের তালিকায় শীর্ষ চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
গত বছর দু’ধাপ পিছিয়ে ৭ম অবস্থানে চলে গিয়েছিল যশোর পুলিশ লাইন স্কুল। এবার তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩ধাপ এগিয়েছে। ৪র্থ স্থানে থাকা এ স্কুলের পয়েন্ট ৮৮ দশমিক ৬০। স্কুলের এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর স্কুল ক্যাম্পাসে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা একে অপরের মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আনন্দের জোয়ারে ভাসছে স্কুল। তবে আগামিতে আরও ভালো ফলাফল করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৯ জন পরীক্ষার্থীর শতভাগ পাস করে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্থান দখল করেছে তারা। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২জন। বিজ্ঞান বিভাগের ৬৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬২জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা হলো- নাহিদা, অনন্যা, জেবা, তাসমিমা, আসমিতা, সায়িদা, মিথিলা, তাহিরা, কাশফিয়া নিষ্ঠা, হালিমাতুস, নুজহাত, দৃষ্টি বিশ্বাস,দোলা ওয়াহিদ, ফারিয়া, শৈলী, সাদিয়া, ইশরাত, এভন বণিক, স্বর্ণা, আতিকা মুবাশ্বিরা, ফারিয়া আফরিন, ফাহমিদা, কাজী সাদিয়া, ইসরাত জাহান, সৈয়দা ইশিতা নাসরিন ভাবনা, অধরা শ্রেয়সী,শারমিন, সাবরিনা, আসিফ আনসারি, আমির, মাহফুজ, রেজওয়ানুল, মুবাতাসিম, শরিফুজ্জামান, হাসান-উদ-দৌলা, রাহুল, সিফাত, সাকলাইন, মুনতাসির, রাকিব, সাইমুন সরোয়ার, আবু ফারহান, আবিদুর, আলী আহমেদ, আহসান ইমাম, আহনাফ শাকিল, জ্যোতির্ময়, শিহাব, তারিক বিন খালিদ, নয়ন কুমার কুন্ডু, আসাদুজ্জামান, তানভির, আশিকুর, তানজিম, রেজওয়ানুল ইসলাম, সোহানুর, রিয়াদ, মোস্তফা আমীর, রাকিব।
মানবিক বিভাগের ৭জনের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে সিলভিয়া রহমান, সোহানা আক্তার ও আফসানা মিম। বাণিজ্য বিভাগের ১৮ জনের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭ জন হলো- মারজিয়া, রিফা, মারিয়া, নাতাশা, সূচনা, ফাতেমা তুজ জোহরা, ফরিয়া,প্রিয়তা, সাকিব, আরিফুল, তানজিম, সাব্বির, আরাফাতুজ্জামান,আল আরাফ, জমসেদ, মাহিন ও হাসিব।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত নুজহাত ফাতিম বলেন, বন্ধু, শিক্ষক, অভিভাবকদের সহযোগিতা ও নিজের প্রচেষ্টায় ভালো ফলাফল সম্ভব হয়েছে। একই বিভাগের রাহুল পাল বলেন, এ প্লাস পেয়ে খুব খুশি হয়েছি। শিক্ষকদের দিক নির্দেশনায় ভালো ফলাফল হয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের আল আরাফ বলেন, শিক্ষকদের সহযোগিতা ছিল। নিয়মিত ক্লাস হয়েছে। ভালো পরীক্ষা দিয়েছিলাম। ফলাফলও ভালো হয়েছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ জানান, স্কুলের শৃংখলা ভালো। নিয়মিত পাঠদান হয়েছে। ক্লাসে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ভালো ছিল। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ভালো ফলাফলের জন্য অভিভাবকদের আন্তরিকতা বেশি দরকার।

শেয়ার