খুলনায় বৃষ্টির অভাবে মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির জলাশয়ে পানি নেই

mati
খুলনা ব্যুরো॥ প্রাকৃতিক বিপর্যয়েরমুখে পড়েছে সারাদেশ। আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। ঘাম ঝড়ছে জ্যোষ্ঠের দুপুরে। মাঠ-ঘাট চৌচির, জল নেই কোন পুকুরে। বৃষ্টির অভাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিরাজ করছে আহাকার অবস্থা। আর যেন প্রাণ সইছে না এ তাপদাহে। বৃষ্টির জন্য উন্মুখ কেবল মানুষই নয় সব প্রাণি এমন কি বৃক্ষরাজি। গত জুম্মা বাদ মসজিদে দোয়াসহ ‘আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই’বলে বিভিন্ন এলাকায় জন-কৃর্তন করছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে যশোরে। গত ৩দিন ধরে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। শনিবার রেকর্ড করা হয় ৪১.৪ডিগ্রি সেলসিয়াস। খুলনায় তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ডিগ্রিতে। এদিন বিকেল তিনটায় উত্তর-পূর্ব কোণে মেঘের আয়োজন দেখা গেলেও তা’ খুলনাঞ্চলে আসেনি। ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে শরীয়তপুসহ অন্যান এলাকায়। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানায়, পশ্চিমা লঘুচাপটি হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পূর্বাভাস: যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানতঞ্চ শুষ্ক থাকতে পারে। তাপ প্রবাহ : যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাইজদীকোর্ট, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলসহ রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা’ অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা দেশের উত্তরাংশে সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং সারদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অফিস।

শেয়ার