আশিক ছাত্রবাস থেকে ৮ শিবির ক্যাডার আটক ১১টি বোমা উদ্ধার॥ বাহরাইন ছাত্রাবাসে আগুন

sibir
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে নাশকতার উদ্দেশ্যে বৈঠককালে শিবিরের ৮ ক্যাডারকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে শহরের খড়কী আশিক ছাত্রবাসে অভিযান চালিয়ে কোতোয়ালি পুলিশ তাদের আটক করে।
এসআই সোয়েব উদ্দিন আহম্মেদ জানান, শহরের খড়কী এলাকার বেনাপোল রোডের আশিক ছাত্রবাসে শুক্রবার রাত ২টার দিকে ২০/২৫ জন শিবির বোমাসহ বিভিন্ন ধরনের দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে নাশকতা চালানোর গোপন বৈঠক করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৮ জনকে পুলিশ আটক করে। এসময় ওই ছাত্রবাসের মধ্য থেকে ১১ টি হাত বোমা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা সকলেই বিভিন্ন কলেজের ছাত্র। এ ব্যাপারে এসআই সোয়েব উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ক্ষীপ্ত হয়ে একই এলাকার বাহরাইন ছাত্রাবাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে জানাগেছে।
আটককৃতদের মধ্যে সাতজন যশোর সরকারি এমএম কলেজ এবং একজন সাতক্ষীরা আমানুল্লাহ কলেজের ছাত্র।
এমএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হলো, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও চৌগাছার দিঘলসিংগা গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে শামীম রেজা, অর্থনীতি বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও মনিরামপুরের নোয়ালি গ্রামের আলাউদ্দীন মিয়ার ছেলে আবু মুছা, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র ও অভয়নগর উপজেলার মাগুরা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন, দর্শন বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র ও চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সামছুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র ও চৌগাছা উপজেলার কান্দি গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে শাহাবুদ্দীন আহমেদ, একই বর্ষের ছাত্র ও চৌগাছা উপজেলার আড়–য়াকান্দি গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, ব্যাবস্থাপনা বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও চৌগাছার স্বরূপদাহ গ্রামের গোলাম আহমেদের ছেলে শোয়েব আহমেদ এবং সাতক্ষীরা আমানুল্লাহ কলেজের ছাত্র রিপন। সে মনিরামপুর উপজেলার হাজরাকাঠি গ্রামের ইমান আলীর ছেলে।
এদিকে, আশিক ছাত্রাবাস থেকে বোমাসহ শিবিরর ক্যাডারদের আটকের ঘটনায় ক্ষীপ্ত হয়ে তার পাশেই বাহরাইন ছাত্রবাসে দুপুরে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

শেয়ার