ঝড়ে টিকলেন মমতা-জয়ললিতা-নবীন

momota
সমাজের কথা ডেস্ক॥ কার্যত ভারতের ষষ্ঠদশ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর ঝড়ে উড়ে গেল কংগ্রেস৷ তবে মোদীর ঝড়ে টিকে রইলেন পশ্চিবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তামিলনাড়ুতে জয়ললিতা এবং উড়িষ্যায় নবীন পট্টনায়েক।

তিরিশ বছর আগে ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর নির্মম নিহতের পর ভারত জুড়ে সহানুভূতির হাওয়ায় কংগ্রেস প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা পেয়েছিল৷ তারপর একক গরিষ্ঠতা কখনও কোনও দল পায়নি৷ একক গরিষ্ঠতা নিয়েই দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী দামোদর৷

এবার বিজেপি একাই ২৭২-এর ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে গিয়েছে৷ ২০১৪ সালে বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়েই নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঠিকানা হচ্ছে ৭ নং রেস কোর্স রোড৷

তবে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে মোদী-ঝড় রুখে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যদিও এবার বিজেপি এ রাজ্যে ভাল ফল দেখিয়ে ২টি আসন পেয়েছে। তবে এককভাবে লড়াই করে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে ঐতিহাসিক ফল করেছে৷ মমতার তৃণমূল কংগ্রেস একাই ৩৪টি আসন জিতেছে৷ রাজ্য রাজনীতিতে যা রেকর্ড৷

এর আগে বামফ্রণ্ট ২০০৪ সালে এ বাংলায় ৩৬টি আসন জিতেছিল৷ কিন্তু সিপিএম এককভাবে ৩০-এর নিচে ছিল৷ সেই অর্থে মমতা এবারের ভোটে বিরাট সাফল্য পেল৷তিনি দেখিয়ে দিলেন সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাংক এখন আর শুধু বামপন্থীদের হাতে নেই৷ সেটি এখন তাঁরই হাতে৷

মোটামুটি যা তথ্য তাতে তৃণমূল ৩৯ শতাংশ, আর দুটি আসন জিতে সিপিএম পাচ্ছে ২৯ শতাংশ৷ তবে বিজেপি বড় সাফল্য এ রাজ্যে পেয়েছে৷ ২টি আসন পেয়েছে৷ ভোটের শতাংশ ১৮৷ কংগ্রেস তাদের ছটির মধ্যে ৪টিতে জিতেছে৷ তৃণমূলের সম¯ তারকাপ্রার্থীও জিতছেন৷

ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে গো-বলয়ের রঙ গেরুয়া৷ সর্বত্র মোদীঝড়৷ কোনওক্রমে রাহুল-সোনিয়া গান্ধী জিতলেও হেরেছেন স্পিকার মীরা কুমারসহ একাধিক মন্ত্রী৷ আসামে কংগ্রেস চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে পদত্যাগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের এমন দুর্দশা আর হয়নি৷

মোদিঝড় মমতার মতো রুখেছেন জয়ললিতা ও নবীন পট্টনায়েক৷ তেলেঙ্গানাতেও কংগ্রেস ভাল ফল করেছে৷
বামপন্থীদের করুণদশা৷ তাদের আসন দুই সংখ্যায় পৌঁছবে না বলেই মনে করা হচ্ছে৷ কেরলে খুব খারাপ ফল৷ বাংলায় বিপর্যয়৷

শেয়ার