কপিলমুনির বাতাসে গাঁজার গন্ধ ফেনসিডিলের ছড়াছড়ি ॥ পুলিশের নিশ্চুপ ভূমিকায় ক্ষোভ

Ganja
কপিলমুনি প্রতিনিধি॥ কপিলমুনির নির্মল বাতাসে এখন শুধুই গাঁজার গন্ধ, আশেপাশে ফেনসিডিলের ছড়াছড়ি। কপিলমুনি সদরের বহু স্পটে ও অলিগলিতে স্থায়ী ও ভ্রামমান মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের শক্ত ঘাটি গড়ে তুলেছে। তারা এক প্রকার প্রকাশ্যে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের আইন ও সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড চললেও পুলিশ প্রশাসন রয়েছে নির্বিকার। এনিয়ে জনমনে ক্ষোভের জম্ম নিচ্ছে।
জানা যায়, প্রাচীন বাণিজ্যিক উপশহর কপিলমুনি সদর সহ আশপাশ এলাকায় এখন যেন গাজা ও ফেনসিডিল সেবনের মহোৎসব চলছে। প্রতিনিয়ত কিশোর ও যুব সমাজ গাজা সেবন করে চলেছে। বিশেষ করে কপিলমুনি সদরের বালুর মাঠ (সহচরী সরবর), মুনিতলা নদীর ঘাট, সোনাপটি থেকে পালপাড়া খেয়াঘাট, ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা, নাছিরপুর নাথপাড়া সংলগ্ন এলাকা, গোলাবাড়ী, কাশিমনগর নদীর ধার সহ কয়েকটি এলাকায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর গাজা ও ফেনসিডিল সেবনের মহোৎসব বসে। সূত্র জানায়, কপিলমুনি বাজারের এক কথিত গাজা স¤্রাট ও ফেনসিডিল দীর্ঘ দিন ধরে খুলনার দক্ষিণে পাইকারী ও খুচরা হিসাবে বিক্রি করে আসছে। তারা অবৈধ ব্যবসাকে বৈধ করার করা জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অনেক আগে থেকেই ম্যানেজ করে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে থাকে বলে সূত্রটি দাবী করে। এইসব গাজা স¤্রাটদেরকে ইতোপূর্বে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তারা গাজা ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করে এবং বেশ কয়েক মাস হাজত বাস করে ছাড়া পায়। কিন্তু তার পরও সে থেমে থাকেনি, ফিরে এসে তারা লাভ জনক ব্যবসায় আবারো জড়িয়ে পড়ে। ্এছাড়াও কপিলমুনিতে প্রায় একশত ভ্রাম্যমান গাজা বিক্রেতা এ পেশায় রয়েছে। তারা কখনো ছোট ছোট পুরিয়া করে আবার কখনো বিড়ির ভেতর ভরে দেদারছে বিক্রি করছে। সচেতন অভিভাবক, এলাকাবাসী গাজা, ফেনসিডিলের বিষাক্ত ছোবল থেকে মুক্ত করতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার