তুরস্কে কয়লা খনি বিপর্যয়ে নিহত ২৩৮

turosko
সমাজের কথা ডেস্ক॥ পশ্চিম তুরস্কে কয়লা খনিতে এক বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা ২৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৮০ জন। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেসেপ তায়েপ এরদোয়ান একথা জানিয়েছেন।
সোমায় খনি এলাকা পরিদর্শনের পর বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে যা দেখা গেছে তাতে আমাদের ২৩৮ কর্মী প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছে ৮০ জন”।
বিস্ফোরণের সময় ৭৮৭ জন কর্মী কয়লা খনিটির ভিতরে ছিল। উদ্ধারকর্মীরা খনিকর্মীদের মৃতদেহ ও আহতদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে পশ্চিমাঞ্চলের মানিসা প্রদেশের সোমা এলাকার কয়লা খনিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
বৈদ্যুতিক সমস্যা বিস্ফোরণটির কারণ বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী তেনার ইলদিজ।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত খনির ভেতর আরো কয়েকশ কর্মী আটকা পড়ে ছিলেন। রাতভর তাদের উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন উদ্ধারকর্মীরা।
দুর্ঘটনা কবলিত খনিটি রাজধানী আঙ্কারা থেকে ৪৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। ব্যক্তি মালিকানাধীন খনিটির সামনে উদ্বিগ্ন আত্মীয়স্বজনরা ভিড় জমিয়েছেন।
তুর্কি টেলিভিশনে নিহতের সর্বশেষ সংখ্যা নিশ্চিত করেন মন্ত্রী ইলদিজ, এ সময় ৮০ জন আহত হওয়ার কথাও জানান তিনি।
ইলদিজ জানান, দুর্ঘটনার সময় খনির ভিতরে থাকা কর্মীদের মধ্যে মাত্র ৩৬০ জনের খবর পাওয়া গেছে, এদের মধ্যে নিহতরাও রয়েছেন।
বিস্ফোরণের পর উৎপন্ন কার্বন মনোঅক্সাইড গ্যাসের বিষক্রিয়ায় অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। যারা ভিতরে আটকা পড়ে আছেন তাদের বাঁচিয়ে রাখতে খনির ভিতরে অক্সিজেন পাম্প করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় খনির লিফটটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ভিতরে আটকে পড়ারা ভূগর্ভের ২ কিলোমিটার ভিতরে ও খনির প্রবেশ পথ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার