র‌্যাবের ৩ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াধীন

rab
সমাজের কথা ডেস্ক॥ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় চাকরিচ্যুত তিন র‌্যাব কর্মকর্তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা না হলেও তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন।
হাইকোর্ট থেকে র‌্যাবের অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা র‌্যাব-১১ এর সাবেক সিও লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এম এম রানাকে গ্রেপ্তারের আদেশের কপি সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পৌঁছালেও মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
তবে গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে দাবি করে মঙ্গলবার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, তিনজনকে গ্রেপ্তারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোসহ আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলামসহ তার পরিবারের অভিযোগ, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র‌্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন নূর হোসেন।
এ অভিযোগের পর গত ৬ মে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মাহমুদ, সাবেক অধিনায়ক মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এম এম রানাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। গত রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় তিন র‌্যাব কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আইজিপিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। দণ্ডবিধি বা বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করতে বলেন আদালত।

শেয়ার