থাই বিক্ষোকারীদেরকে সরকারের হুঁশিয়ারি

Thailand
সমাজের কথা ডেস্ক॥ থাইল্যান্ড সরকার জনগণকে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ থেকে বিরত থাকা নতুবা কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মুখে পড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সাংবিধানিক আদালতের নির্দেশে পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখনো ক্ষমতায় এবং আগামী জুলাইয়ের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এ সরকার নতুন করে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আশায় আছে।
কিন্তু সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীরা এর সরকার পতনের দাবি জানানোর পাশাপাশি একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ, আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে।
বিশেষ তদন্ত বিভাগের প্রধান থারিট পেঙ্গিত সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সব থাইকে বিক্ষোভস্থল থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে চাই। কেননা সঙ্কট এড়াতে আমাদরকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে”।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বাধা এড়াতে বন্দুক এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করেছে এবং সরকার সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি থেকে এটি স্পষ্ট যে, ইংলাকের পদচ্যুতিতে সরকার বেকায়দায় পড়েছে এবং কর্তৃত্ব জাহির করার চেষ্টা করছে।
ইংলাকের সঙ্গে ৯ মন্ত্রীর পদত্যাগের পরদিনই চাল প্রকল্পে অবহেলার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে দোষী সাব্যস্ত হন ইংলাক। এখন সিনেটে তার দোষ প্রমাণিত হলে তাকে অভিসংশন করা হতে পারে। আর এতে করে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ হতে পারেন ইংলাক।
কিন্তু ইংলাকের পুয়ে থাই পার্টি এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালনা করছে এবং ২০ জুলাইয়ের নির্বাচনের মধ দিয়ে আবারো নির্বাচিত হয়ে আসার আশায় আছে।
ব্যাংককে সরকারের পক্ষে যেমন বিশাল জনসমাবেশ হচ্ছে তেমনি বিরোধীরাও রাস্তায় রাস্তায় পাল্টা মিছিল সমাবেশ করছে।

শেয়ার